চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরার অপরাধে ২৩ জেলেকে আটক করেছে জেলা টাস্কফোর্স। চাঁদপুর সদর উপজেলা থেকে আটক জেলেদের মধ্যে ১৩জনকে ৫ হাজার টাকা করে ৬৫ হজার টাকা অর্থদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যামণ আদালত। বাকি ৪ জেল অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেয়া হয়। বাকী ৬ জন মতলব উত্তর উপজেলা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
শনিবার সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সদর উপজেলা সিনিয়ির মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক।
আটক জেলেরা হলেন-আক্তার হোসেন (৩৪), মো. কাউছার (২৬), খোরশেদ আলম (৩৫), মো. বাচ্চু মিয়া (৩২), মো. নাজিম উদ্দিন (৩৯), মো. আজাদ (৪৫), মো. বারেক (২২), মো. শরীফ (২৪), সাইদুর রহমান (২৪), আবু সাইদ (৪৫), মো. নিয়ামত ভুঁইয়া (৪০), মো. মনির (৩৭) ও মো. সাগর (২৮)। অপ্রাপ্ত বয়স্ক জেলেরা হলেন-মো. রবিউল, মো. সুক্কুর, বিল্লাল হোসেন ও মো. জাহিদ। এদের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তর, শরীয়তপুর ও নোয়াখালী জেলায়। এছাড়া মতলবে আটক ৬ জেলেকে নিয়মিত মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়।
মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, গেল ২৪ ঘন্টায় মেঘনা নদীর সদরের হরিনা থেকে কাচিকাটা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ১৭ জেলে আটক, ২৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল ও ৩টি মাছ ধরার ইঞ্জিন চালিত কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়।
তিনি আরো বলেন, রাতেই কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রহমত উল্লাহ পৃথক দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালথ পরিচালনা করে জেলেদের অর্থদন্ড প্রদান করেন। কারেন্টজাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। জেলে নৌকা কোস্টগার্ড হেফাজতে রয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযানে সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।