চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ইলিশ ধরার অপরাধে সাতটি নৌকা, ৮০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল সহ ১৩ জেলেকে আটক করেছে নৌ পুলিশ। সোমবার দুপুর এ তথ্য নিশ্চিত করেন চাঁদপুর সদর নৌ-থানা অফিসার ইনচার্জ একেএমএস ইকবাল ও মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ আলী।
নৌ-পুলিশের পৃথক অভিযানে মেঘনা নদীর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের চরাঞ্চল থেকে দুটি নৌকাসহ দুই জেলেকে আটক করা হয়। আটক জেলেরা হলেন-রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের মনসুর আহমেদ (৪০) ও নাকমত আলী (৬০)।
চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএমএস ইকবাল বলেন, আটক দুই জেলের বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা হয়। জব্দকৃত নৌকা থানা হেফাজতে রয়েছে। আটককৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অপরদিকে ২৪ ঘন্টার অভিযানে মতলবের মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি পৃথক অভিযান চালিয়ে ১১ জেলেকে আটক করেছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৫টি মাছ ধরা নৌকা জব্দ এবং প্রায় ৮০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল উদ্ধার করে ধ্বংস করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন, মো. বিল্লাল গাজী (৪১), মো. হানিফা সরকার (৫০), মো. শাহজালাল বেপারী (৩০), মোহাম্মদ আলী (৩২), মো. খোকন মিয়া (৪০) ও মো. ওসমান মোল্লা (১৯) সহ ১১ জন। তাদের বিরুদ্ধে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ আলী বলেন, মেঘনা নদীর মোহনপুর, দশানি, বাহাদুরপুর, সটাকি, ষাটনল, বাহেরচর, এখলাছপুর ও চরওমেদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অভিযান চালানো হয়।
জাটকা সংরক্ষণে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনা নদীর ৭০ কিলোমিটার অভয়াশ্রম ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময় ইলিশ সহ সব ধরণের মাছ আহরণ, বেচাকেনা, পরিবহন ও মজুদ নিষিদ্ধ।