চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের চান্দ্রা এলাকার ছয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে আমেরিকা প্রবাসী একাত্তর ফাউন্ডেশনের আয়োজনে চান্দ্রা সকদী-রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস, স্কুল ব্যাগ, শিক্ষা উপকরণসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়।
এছাড়া সকদী রামপুর জামে মসজিদের মক্তব, চান্দ্রা ইমাম আলী স্কুল এন্ড কলেজ, চান্দ্রা ছামাদিয়া ফাযিল মাদ্রাসা ও মদনগাঁও আবদুল হাকিম গার্লস স্কুলে এসব শিক্ষা উপকরণ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
একইদিনে জাহানারা-কফিল উদ্দিন পাটোয়ারী স্মৃতি চিকিৎসা সেবার আয়োজনে সকদী-রামপুররামপুর পাটোয়ারী বাড়ীতে ২শ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান করে ফাউন্ডেশনটি।
বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাবেক সিনিয়র সচিব মাকছুদুর রহমান পাটোয়ারী, আমেরিকার একাত্তর ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মো. কবির হোসেন পাটোয়ারী, সভাপতি পারভীন পাটোয়ারী মনি, সদস্য জাহানারা মেহেরিন পালকি।
সাবেক সিনিয়র সচিব মাকছুদুর রহমান পাটোয়ারী জানান, সকদি রামপুর জামে মসজিদ মক্তবে ৭০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে পায়জামা ও পাঞ্জাবি বিতরণ, ৭০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ফ্রক ও শিক্ষার উপকরণ বিতরণ করা হয়।
এরপরপরই সকদি রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুভ উদ্বোধন ও ১ম থেকে ৫ম শ্রেণীর খেলাধুলা শুরু হয়। পরে খেলায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার, খেলার সামগ্রী বিতরণ, প্রাক-প্রাথমিকের ৫০ টি শিশুর জন্য স্কুল ব্যাগ, সকল শ্রেণির ছেলে শিক্ষার্থীদের মাঝে ১২৫ সেট স্কুল ড্রেস (সেলোয়ার ও কামিজ), সকল শ্রেণির মেয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ১২৫ সেট স্কুল ড্রেস (হাফ শার্ট ও ফুল প্যান্ট) বিতরণ, শিক্ষকদের জন্য বিশেষ উপহার প্রদান, উন্নতমানের একটা প্রিন্টার মেশিন প্রদান, বিনোদনের জন্য নতুন রাইড হস্তান্তর, পুরনো রাইড সংস্কারসহ আমেরিকা থেকে পালকির বিশেষ উপহার বিতরণ করেন তারা।
একাত্তর ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মো. কবির হোসেন পাটোয়ারী বলেন, এই ফাউন্ডেশন তাদের পারিবারিক আয়ের একাংশ দিয়ে সমাজ সেবা করছেন। শিক্ষা ও প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করছি। শুধু দেশে নয়, আমেরিকাতেও এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করা হয়।
একাত্তর ফাউন্ডেশনের সভাপতি পারভীন পাটোয়ারী মনি বলেন, ২০১০ সাল থেকে দেশের মানুষের সেবায় এই ফাউন্ডেশন। এখানে আমরা মন্ত্রী-এমপি হতে আসিনি, দেশের মানুষের সেবা ও ভালোবাসা পেতে এসেছি। তার কন্যা ও ফাউন্ডেশনের সদস্য জাহানারা মেহেরিন পালকি বলেন, মা-বাবা এমন মানবিক কাজ দেখে ভালো লাগছে। তাদের সাথে মানবিক কাজে নিজেকে জড়িয়ে রাখবো।