বুধবার দুপুরে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ বহু মামলার বিবাদী গোলাম কিবরিয়াকে গ্রেফতার করেছে। গোলাম কিবরিয়া হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬নং বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের এন্নাতলী গ্রামের মহিউদ্দিন দুলাল পাটওয়ারীর ছেলে।
হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. ইউনুছ পপুলার বিডিনিউজ ডটকমে নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ১৫ নভেম্বর করা মামলায় গোলাম কিবরিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। হাজীগঞ্জ থানার মামলা নং ২৬। এছাড়াও গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানা ও চাঁদপুর আদালতে একাধিক মামলা রয়েছে।
জানা গেছে, একটি মারামারির ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে। মামলার বাদী ছিলেন একই গ্রামের মো. আবুল হাসেমের ছেলে মো. মিজানুর রহমান (৫০)।
বিবাদীরা হলেন, একই গ্রামের মহিউদ্দিন দুলাল পাটওয়ারীর ছেলে তানভীর আহমেদ পাটওয়ারী (২২), গোলাম কিবরিয়া পাটওয়ারী কল্লল (২৫), রেহান উদ্দীন পাটওয়ারীর ছেলে মহিউদ্দীন পাটওয়ারী (৫৫)।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ৫ নভেম্বর সকালে এন্নাতলী গ্রামের ছৈয়াল বাড়ির উত্তর পাশে বাদীর দোকান ঘরের সামনে ও ভিতরে বিবাদীরা আকষ্মিক হামলা চালায়। হামলার ঘটনায় দায়ের করা জিডি’র বাদী মিজানুর রহমান ঘটনার বিবরণীতে বলেন, আমার কফি হাউজ দোকানে বিবাদীগণ হামলা চালিয়ে দোকান তুলে নেয়ার অপচেষ্টা চালায়। প্রতিবাদ করলে বিবাদীগণ হুমকী-ধমকী প্রদর্শন এবং মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। পরবর্তীতে দোকানে থাকা ১২ হাজার টাকা, আমার কাছে থাকা ১০ হাজার টাকা, দোকানের আনুমানিক ১০ হাজার টাকার মালামাল, আমার মেয়ের গলায় থাকা ১২ আনি স্বর্নের চেইন লুট করে নিয়ে যায়।
মিজানুর রহমান জানান, দুলাল গং আমার কাছ থেকে পূর্বের একটি ঘটনায় ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। এমনকি আজ (ঘটনার দিন) সকালে আমার স্ত্রী সালমা বেগম আমার ডাক চিৎকারে বাঁচাতে আসলে তার সাথে গালমন্দ ও অশালীণ আচরণ করেন।