তারুণ্যই শক্তি। পূর্বেকার ইতিহাস ঘেঁটে দেখলে বুঝা যায় তাদের মধ্য দিয়ে এসেছে ভাষা আন্দোলন স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্র। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম এভাবে এসেছে। এ সময়ের রাজনীতির সাহসী সৈনিক বাহাউদ্দিন মোল্লা বাহার। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শিত শহিদ পরিবার থেকে ধীরে ধীরে এগিয়েছে রাজনীতির পথে। রাজনীতি তার অস্থি মজ্জায় মিশে গেছে। সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য পদ লাভ করেছেন। যিনি রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন। প্রাপ্যতা পেয়েছেন তিনি। বলা বাহুল্য – সোনার হাতে সোনার কাঁকন কে কার অলংকার।
বাহাউদ্দিন মোল্লা বাহার চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৩ নং সুবিদপুর ইউনিয়নের বাসার গ্রামের অধিবাসী। তার বাবা ছিলেন মানুষ গড়ার কারিগর। রাজনীতি তার শিরা -উপশিরায় বাহিত। তাই কিশোরকাল থেকে ছাত্র জীবনের পুরো সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে লেগে আছে। নৌকা প্রতীকের সাথে জীবন ও যৌবন। দুঃসময়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হিসেবে তার নেতৃত্ব ছিল প্রশংসনীয়। ত্যাগ ও সংযমী এবং নেতৃত্ব তখন সাধারণ ছাত্রদের মনকে আকর্ষণ করেছে বারবার। বেশি আকর্ষণ করেছে তার মেধা , নমনীয়ভাব এবং ভদ্রতা। বলা চলে সাধারণের মধ্যে অসাধারণ ছিলেন তিনি।
ইতিহাস ঐতিহ্যকে ধারণ করে গণমুখী মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতা আছে। মানসিকতা পূর্ণতা লাভ করুক। প্রত্যাশা নিরন্তর রাজনীতির মহাসড়কে এগিয়ে যান তিনি।