চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে গোয়ালভাওর বাজারে দোকান ও গোডাউন থেকে ৯২ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করেছে প্রশাসন। এসময় একজনকে তিন মাসের কারাদণ্ড ও আরেকজনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা রাজিয়া।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রোববার রাতে দরিদ্র ও দুস্থদের বরাদ্দকৃত সরকারি চাল উদ্ধার করতে উপজেলার ১০নং গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের গোয়ালভাওর বাজারে ছুটে যান উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ। সেখানে ব্যবসায়ী ওয়ালী উল্যাহ দোকান ও গোডাউন থেকে এই চাল উদ্ধার করা হয়। প্রকৃত অসহায়রা এই চাল না পাওয়া ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। তবে সরকারি চাল পাওয়া ব্যক্তিরা ও ভিজিভি কার্ডধারীরা তার কাছে চাল বিক্রি করেছে বলে দাবী ব্যবসায়ী ওয়ালী উল্ল্যাহ বেপারী।
সরকারের দুস্থ অসহায়দের দেয়া চাউল বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ বলে জানান ফরিদগঞ্জ খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা মো: জামাল উদ্দিন। তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গিয়ে চাউলগুলো জব্দ করা হয়েছে।
ভিজিডির কার্ডধারীদের কাছ থেকে চাল কেনার কোনো নিয়ম নেই। তদন্ত করে চাল বিক্রির সাথে জড়িতদের বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইতোমধ্যে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত ও স্থানান্তর ২০০৩ এর আইননুযায়ী ব্যবসায়ী ওয়ালী উল্ল্যাহ বেপারীর ছেলে সাইফুল ইসলামকে তিন মাসের কারাদন্ড ও একই আইনে সোহেল বেপারীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ১৬ ইউনিয়নে দুস্থদের জন্য দেয়া চাল বিতরণে নজরধারী বাড়ানোর দাবী সচেতন মহলের।