সাত বছর পর চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক গৃহবধূকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা মামলার প্রধান আসামী রিপন হেসেন রিংকু (৩২) কে নোয়াখালী থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। শুক্রবার বিকালে তাকে চাঁদপুর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, ২০১৮ সালে ফরিদগঞ্জ উপজেলায় পশ্চিম বড়ালী নোয়া বাড়ীতে হায়াতের নেছা (৫৫)কে বসতঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ ও শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে তারা। আসামীরা মাদকসেবী। হায়াতের নেছার রান্না ঘরে মাদক সেবন করে রাতে বসতঘরের দরজা খুলে ঢুকে পড়ে। হায়াতের নেছা যেন চিৎকার দিতে না পারে সেজন্য মুখে কাপড় ঢুকিয়ে ও গলায় চাপ দিয়ে শ্বাস রোধ করে। পরে তার সাথে থাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় তারা।
সহকারী পুলিশ সুপার এ.কে.এম.মহিউদ্দিন সেলিমের নেতৃত্বে তদন্তকারী অফিসার পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) সৈয়দ আবু মোঃ
শাহজাহান কবির বুধবার রাতে রিংকুকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন।
রিংকু প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার সহযোগী আনোয়ার হোসেন রাজুসহ ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে। এর আগে আনোয়ার হোসেন রাজুকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায় পিবিআই। সে জামিনে বেরিয়ে বিদেশ পাড়ি দেয়।
ঘটনার পরপরই অজ্ঞাত কয়েকজনকে বিবাদী করে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন নিহতের ভাইয়ের
ছেলে মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রুবেল। নিসন্তান নিহত হায়াতের নেছা স্বামী মারা যাওয়ার পর বাবার বাড়ীতে একা বসবাস করতেন।