ফরিদগঞ্জের ৫নং গুপ্টি ইউনিয়নের আস্টা গ্রাগে দুর্বৃত্তের আগুন থেকে রক্ষা পেল আস্টা মহামায়া পাঠশালা স্কুলের সাবেক শিক্ষক মরহুম হুমায়ুন মাস্টার বসত ঘর। ঘটনাটি ঘটে গত রবিবার (২২ মার্চ) রাত আনুমানিক নয় ঘটিকার সময়।
ঘটনাস্থলে সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, হুমায়ুন মাস্টারের স্ত্রী সন্তান কেউই বর্তমানে বাড়িতে থাকে না, স্ত্রী অসুস্থতার কারনে মেয়ের কাছে থাকে, বাড়ির অন্য দুই ফ্যামিলির মধ্যে বেশিরভাগ বাড়ির বাহিরে বসবাস করছে, শুধু মাত্র হুমায়ুন মাস্টারের আরেক ভাইএর স্ত্রী বসবাস করে, তিনি ভয় কাটানো ও অসু্স্থ থাকায় নিকটাত্মায়ীর আবির নামে একজন রাতে এসে উনার ঘরে ঘুমায়। এছাড়া ওই বাড়িতে তেমন কেউ থাকে না। পুরো বাড়ি পাকা অবস্থায় রান্না ঘরে কেউ আগুন লাগিয়ে দেয়। এতেকরে রান্না ঘরের ভিরতে থাকা প্রায় সবকিছুই পুড়েছাই হয়ে যায়। প্রতিবেশিরা টের না ফেলে রক্ষা হতো না বসত ঘর।
স্থানীয়দের মধ্যে ইয়াছিন পাটওয়ারী, আবিরসহ অনেকই জানান, রাত আনুমানিক ৯ঘটিনার সময় আগুনের দুয়া উঠতেছে, আগুনের কিছু অংশ দেখা যাচ্ছে, দৌড়ে গিয়ে দেখি হুমায়ুন মাস্টারের রান্না ঘরে আগুন জ্বলছে, সবাই মিলে পুকুর থেকে পানি নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রন করি। তার পাশেই দ’টি বসত ঘর, না হয় ওই দুই ঘরেও আগুন লাগার সম্ভাবনা ছিলো। আগুন লাগার কোন সূত্রপাত বুঝা যাচ্ছে না, রান্না ঘরে বিদ্যুৎের লাইন না থাকায় বড় ক্ষয়ক্ষতির থেকে বেঁচে গেছে।
হুমায়ুন মাস্টারের মেয়ে মিতু বলেন, আমার মা অসুস্থ থাকায় আমাদের কাছেই থাকে, ভাই ঢাকাতে থাকে, বাড়িতে তেমন কেউ থাকেনা। এটা কেউ ইচ্ছাকৃত করতে পারে।
হুমায়ুন মাস্টারের স্ত্রী বলেন, রাত ৯ঘটিকার সময় ফোন আসছে, বাড়িতে আগুন লাগছে, এলাকার মানুষ এসে আগুন নিবাচ্ছে, আমার এক বাগিনা সে আগুন দেখে সবাইকে খোবর পৌছায়, প্রথমে খবর পেলাম বিদ্যুতের আগুন, বাড়িতে একজন জা ছাড়া কেউ থাকে না, উনিও অসু্স্থ। আমার কারো প্রতি সন্দেহ নাই এবং শত্রুতাও নাই। কিভাবে আগুন লাগছে আল্লাহ ভালো জানে। আমরা এঘটনায় থানায় অভিযোগ করার প্রস্তুতি গ্রহণ করছি।
ইউপি সদস্য, সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনা শোনে ঘটনাস্থলে গিয়েছি, দেখে আসছি, বিষয়টা খুবই দুঃখ জনক।