চাঁদপুরে শহরের কোরালিয়ার একটি বাসায় গ্যাসের চুলা জ্বালানোর সময় বিস্ফোরণে দগ্ধ খাদিজা আক্তার (২৫) মারা গেছেন। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ফিমেল হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) আজ শুক্রবার দুপুরের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, গত রোববার (৯ মার্চ) চাঁদপুর থেকে প্রথমে চারজনকে এবং পরে দুইজনকে দগ্ধ অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছিল। এদের মধ্যে আজ দুপুরের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খাদিজা আক্তার নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর শরীরের ৮৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। বর্তমানে শাহনাজ বেগমের ২০ শতাংশ দগ্ধ, আবদুর রহমান ১৮ শতাংশ দগ্ধ ও মহিমের শরীরের ১৫ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে চিকিৎসাধীন আছেন। হোসাইন সরদারের ৩ শতাংশ ও নুসরাত জাহান নিভা ৩ শতাংশ দগ্ধ হন। তাঁদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, রোববার ভোরে চাঁদপুরের কোড়ালিয়া এলাকার জাকিরের ভবনের চতুর্থ তলায় সেহরির জন্য খাবার গরম করতে রান্নাঘরে যান পুত্রবধূ খাদিজা বেগম। এ সময় গ্যাসের চুলার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের ছয়জন দগ্ধ হন। পরে দগ্ধ অবস্থায় প্রথমে চারজনকেও পরে দুইজনকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।