একটি পরিবার এদেশের মানুষকে দাস মনে করতো, তারা দেশকে দাসত্বে কায়েম করছে, তারা জানত না সকল ক্ষমতা আল্লাহর হাতে। তারা সেই ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ। তাই তারা চোরের মত পালিয়েছে। শেষ পর্যন্ত তারা চোরের মতই পালিয়ে। তারা আমাদেরকে জেলে নিয়েছে তাদের চুরি ডাকাতি জায়েজ করার জন্য, যারা সরকারের পদে বসে বড় বড় কথা বলেছে তাদেরকে টেলিস্কোপ দিয়েও খুজে পাওয়া যাচ্ছে না।
নৃন্যতম সংস্কারের পর নির্বাচন দিতে হবে। যুক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন দিতে হবে, সে ক্ষেত্রে স্থানীয় নির্বাচন আগে দিন, কারণ স্থানীয় সরকারে অনেক কাজ এখানে জনগনের সম্পৃততা বেশি, দেশের মানুষকে হয়রানি মুক্ত হতেই আগে স্থানীয় নির্বাচন করে প্রতিনিধিত্ব তৈরি করে জনগনকে হয়রানি মুক্ত করতে হবে, আর জীবনের সকল ক্ষেত্রে ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। জামায়াত ক্ষমতায় আসলে আমরা সেবক হবে আপনাদের মালিক হবোনা ইনশাআল্লাহ। জনগেন ভোটকে আমরা আমানত মনে করি। ক্ষমতায় গেলে সেটাই প্রতিষ্ঠা হবে।
হাজীগঞ্জ বিশাল পথসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।
শনিবার বিকেল ৩টায় হাজীগঞ্জ বিশাল পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর এডভোকেট মোঃ মাসুদুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট শাহজাহান মিয়ার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি এটিএম মাসুদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সহকারী সেক্রেটারি কামাল উদ্দিন, সাবেক জেলা আমীর মাওলানা আবদুর রহিম পাটওয়ারী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এড: আতিকুর রহমান, বক্তব্য রাখেন, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক আবুল হোসাইন জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, মুহাদ্দিস আবু নসর আশরাফী, শহর আমীর এডভোকেট মোঃ শাহজাহান খান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি অধ্যাপক রুহুল আমিন, ফরিদগঞ্জ আমীর ইউনুস হেলাল, শাহরাস্তি আমীর মোস্তাফা কামাল, হাজীগঞ্জ উপজেলা কলিম উল্লাহ, পৌরসভা আমীর আবুল হাসানাত, ছাত্রশিবিরের শহর সভাপতি মোহররম আলী, জেলা সভাপতি ইব্রাহীম খলিল।
পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন সদর উপজেলা আমীর মাওলানা আফসার উদ্দিন মিয়াজী সহ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।