ভারতে তিন হাজার টন ইলিশ রপ্তানি হবার খবরে ২৪ ঘন্টার মধ্যে চাঁদপুরে মণ প্রতি বেড়েছে দুই হাজার টাকা। আগস্ট-সেপ্টেম্ব- অক্টোবর ইলিশের ভরা মৌসুম। এই মৌসুমে ইলিশের দাম কিছুটা কম হবার প্রত্যাশা থাকলেও চাহিদা বেশি থাকায় তা আর হয়ে উঠে না বলে দাবী ব্যবসায়ীদের।
রোববার চাঁদপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয় ১৮শ/ ১৮শ ৫০টাকা। আর এক কেজির উপরে দুই হাজার টাকা বিক্রি হয়েছে। এক কেজির নিচে ১৫শ-১৬শ টাকা ধরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। ভারতে ইলিশ রপ্তানির খবরে কেজি প্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে।
তবে চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সভাপতি মানিক জমাদ্দার বলেন, ভারতে ইলিশ রপ্তানির খবরে রোববার ৫০ টাকা কেজিতে বেড়েছে। যা মণ প্রতি দুই হাজার টাকা। তবে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে দাম আরো বাড়ার শঙ্কা রয়েছে বলে জানান তিনি।
জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবার ইলিশের ভরা মৌসুমেও বড় ইলিশ মিলছে না। বিগত বছরগুলোতে এমন সময়ে এক কেজির উপরের ইলিশ পাওয়া যেত বেশি। এবার এক কেজির নিচে ইলিশ বেশি। আরেক দিকে চাহিদা বেশি হওয়ায় দাম উর্ধ্বগতি হচ্ছে।
অপরদিকে দূর্গা পূজা ও আগামী ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর মা ইলিশ রক্ষার অভিযান চলবে। ওইসময় ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। এতে করে বর্তমান সময়ে ইলিশের চাহিদা বেড়েছে কয়েকগুণ। সরবরাহের চেয়ে ক্রেতা বেশি হওয়ায় ইলিশের দাম চলতি মৌসুমে কমানোর আর সুযোগ নেই বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
জেলা মৎস্য বিভাগের দেয়া পরিসংখ্যানে দেখা গেছে গত বছর জুলাই-আগস্টে ৩ হাজার ৩শ ৩ মেট্টিক টন ইলিশ ধরা হয়েছে। এবার এই দুই মাসে ৩ হাজার ২শ ৩ মেট্টিক টন ইলিশ মিলেছে। ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে চাঁদপুর অঞ্চলে ৩৫ হাজার ১শ ৪ মেট্টিক টন ইলিশ ধরা পড়ে জেলেদের জালে। তবে এমন পরিসংখ্যান মানতে নারাজ ব্যবসায়ী ও জেলেরা।