ফরিদগঞ্জ ৫নং গুপ্টি (পূর্ব) ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ১৭তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে এক জনসেভা অনুষ্ঠিত হয়।
১৩ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) বিকালে উপজেলার গল্লাক কলেজ মাঠে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম.এ.হান্নান, তিনি বক্তব্যের শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করেন, ছাত্র আন্দোলনে যে সকল ছাত্র জনতা শহীদ হয় এবং যারা এআন্দোলনে চোখ, হাত-পাসহ দেহের এক অংশ হারিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, যাদের জন্য আজকের এজনসভা করতে পেরেছি তাদের প্রতি আমাদের গভীর ভালোভাসা, তাদেরকে আমরা সারাজীবন মনে রাখবো ও স্বরন করবো , যাদের জীবনের বিনিময়ে আজকে দেশের মানুষ স্বাধীন ভাবে কথা বলতে পারতেছে তাদেরকে বাংগালী জাতী আজীবন স্বরন রাখবে।
এসময় তিনি শহীদ জিয়াউর রহমানে কথা ও আরাফাত হোসেন কোকোর কথা স্বরন করে সকলের কাছে দোয়া ছেয়ে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র রক্ষার ক্ষেত্রে প্রতিটি আন্দোলনে সফল হয়েছেন। তিনি স্বৈরাচারদের মত দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি, সবসময়ই জনগণের জন্য দেশে থেকে রাজনীতি করে গেছেন। এক-এগারোয় খালেদা জিয়াকে বারবার চলে যেতে বলা হয়েছিল, কিন্তু তিনি যাননি। স্বৈরাচারী হাসিনার আমলে নানা ভাবে প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। শত অন্যায়, অত্যাচারের শিকার হয়েও তিনি দেশ ছাড়েননি। যে কারনে তাকে বলা হয় আপোসহীন নেত্রী।
প্রধান অতিধি উপজেলার নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্য করে বলেন, ফরিদগঞ্জে বিএনপি পরিচয়ে এক ভদ্রলোক অনধিকার ভাবে প্রবেশ করে বিভিন্ন সভা সমাবেশ করে আসছে। তিনি স্বীকৃত জালিয়াত, ইতিপূর্বে তিনি জালিয়াতির মামলায় কারাবরন করছেন। এই জালিয়াতকে ফরিদগঞ্জের মাটি থেকে বিতাড়িত করতে হবে এবং যারা বিএনপির পরিচয়ে অন্যায় কাজে জড়িত হয়েছেন হচ্ছেন তারা ভালো হয়ে যান। যাদের সংগে অন্যায় করেছেন তাদের কাছে ক্ষমা চান, না হয় আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করবে না দলও আপনাকে ছাড় দিবে না।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শরীফ মোহাম্মদ ইউনুছ, মফিজুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক মেয়র মঞ্জিল হোসেন, ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক ফয়েজ আহাম্মেদ মোল্লা, উপজেলা বিএনপির সদস্য মনির হোসেন পাটওয়ারী, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম কাজী, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মামুন, ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মাহিন বেপারী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হেলাল, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ফয়েজ মিজি, ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জাহিদ হোসেন, মো. তারেক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মজিবুর রহমান দুলাল, আবু জাফর খসরু মোল্লা, আব্দুল খালেক পাটওয়ারী, নজরুল ইসলাম নজু, সদস্য রফিকুল ইসলাম কাঞ্চন, আবু ইউছুফ মিঠু, পৌর বিএনপির আহবায়ক আমানত গাজী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন শিপন, সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক খান, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক ভাগিনা রুবেল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলেন আহবায়ক আক্তার হোসেন, সদস্য সচিব ফারুক হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মেহেদী হাছান মঞ্জু, সদস্য সচিব আবু ইউছুফ শাওন চৌধুরী, পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক আল আমিন মোল্লা, সদস্য সচিব মো. শিবলু, মহিলা দলের নেত্রী রেবেকা সুলতানা সৃতি ছাড়াও উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।