কচুয়ায় আগুন লেগে ১টি বসতঘর,১টি রান্নাঘর ,১টি গোয়ালঘরে থাকা ৫টি গরু ও ২টি ছাগল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধণ হয়েছে বলে দাবী করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত আইয়ুব আলী পাটোয়ারী। গত রবিবার রাতে উপজেলার কাদলা ইউনিয়নের কাদলা গ্রামের পূর্বপাড়া চান্দের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌছার পূর্বেই সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শী মতিন পাটওয়ারী জানায়, বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মূহুর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে গোয়াল ঘরের পাশে থাকা রান্না ঘরের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে দ্রুত আগুনের লেলিহান শিখা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লে ঘরের আসবাবপত্রসহ পাশের গোয়ালঘরের ৫টি গরু ও ২টি ছাগল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যদের পরিধানের কাপড় ছাড়া আর কিছুই নেই পরিবারটির। খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
ক্ষতিগ্রস্থ আইয়ুব আলী পাটোয়ারী জানান, রাত ১টার দিকে দেখি আমার ছেলের ঘরে আগুন জ্বলছে। দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে ডাকচিৎকার দিলে আসপাশের লোকজন ছুটে আসে। এরমধ্যেই ঘরে থাকা সিলিন্ডারটি বিস্ফোরিত হয়ে দ্রুত আগুন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। আমার গরু, ছাগল ও ঘরে থাকা আসবাবপত্র, স্বর্ণালংকার, মূল্যবান কাগজপত্রসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমি এখন সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব। এ অগ্নিকাণ্ডে আমার প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. নূর-ই-আলম রিহাত, ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান ও কোহিনুর বেগম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
কচুয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল স্টেশনের অফিসার মাহতাব মন্ডল জানান, খবর পেয়েই আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং আগুন নিয়ন্ত্রনে আনি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ,বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
এদিকে বিকাল সাড়ে ৩টায় সংবাদ লেখা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের কেউ খোঁজ খবর নেননি ,এমনি অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের লোকজন।