মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত মেঘনা নদীর প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অর্ধ-লক্ষ জেলে মাছ আহরণ করে জীবন জীবীকা নির্বাহ করে। দীর্ঘদিনের অভিযোগ নিষিদ্ধ সময় ছাড়াও স্বাভাবিক সময়ে বিভিন্ন অজুহাতে তাদেরকে নৌ-পুলিশ হয়রানি করে আসছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে নিরসনের আহবান জেলেদের। চাঁদপুর সদর উপজেলার দোকানঘর, সাখুয়া, বহরিয়া, হরিণা ফেরিঘাট, আনন্দ বাজার এলাকা ও আখনের হাট এলাকার জেলেদের সাথে নৌ-পুলিশের হয়রানির বিষয়ে কথা হয়। মা ইলিশ ও জাটকা আহরণের দুটি নিষিদ্ধ সময় ছাড়াও পুলিশ তাদের জালের ধরণ সঠিক না অজুহাতে হয়রানি করে আসছে। তাদেরকে বিভিন্ন অংকে নগদ এবং বিকাশে টাকা দিলে ছেড়ে দেয় নৌ-পুলিশ। না হয় মামলা দিয়ে চালান দেয়া হয়। এদিকে নৌ-পুলিশ এবং জেলেদের মধ্যে একটি ভুল বুঝাবুঝি রয়েছে বলে দাবী চাঁদপুর অঞ্চলের নৌ-পুলিশের শীর্ষ এই কর্মকর্তার।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, অভায়আশ্রমের বাহিরে জেলেরা স্বাভাবিক সময়ে অভিযোগ আছে আইন শৃংখলা বাহিনীর কেউ কেউ জেলে ভাইদের হয়রানি করে। তারা বিভিন্ন অযুহাতে এই হয়রানি করছে। তারা হয়তো আইনসম্মত জাল ব্যবহার করছে। সংশ্লিষ্ট সকলকে আহবান জানাবো স্বাভাবিক সময়ে জেলেদের হয়রানি বিষয়টি খতিয়ে দেখে এটি নিরসন করতে। নৌ-পুলিশের অনৈতিক হয়রানি বন্ধ না হলে বিকল্প পেশায় যাওয়ার হুঁশিয়ারী জেলেদের।