পবিত্র রজব মাসের ৬ তারিখ। রজব মাসে বিশ্বনবী (সা.) বিশেষ নফল ইবাদতে রত হতেন আর অনেক বেশি নফল রোজা রাখতেন।
পবিত্র কুরআনে যে চারটি মাসকে সম্মানিত বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে, মাহে রজব তার একটি। আরবি সপ্তম মাস রজব।
হাদিসে এসেছে, হজরত আবু বাকরা (রা.) বর্ণনা করেন, মহানবী (সা.) বলেছেন, ১২ মাসে বছর। তার মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত। তিনটি মাস ধারাবাহিক আর তা হচ্ছে- যিলক্বদ, যিলহজ, মহররম আর চতুর্থ মাসটি হল-রজব, যা জুমাদাল উখরা ও শা’বান মাসের মধ্যবর্তী মাস (সহিহ বোখারি)।
শুরু হয়েছে চন্দ্রবর্ষের সপ্তম মাস রজব। এই মাস পবিত্র রমজানের আগমনী বার্তা। রমজানের কাউন্টডাউন শুরু হয় এই মাস থেকে। এজন্য ইসলামে এই মাসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক। বছরের যে চারটি মাসকে আল্লাহ তায়ালা শ্রেষ্ঠত্ব ও মাহাত্ম্য দিয়েছেন, সেই ‘আশহুরুল হুরুম’ বা সম্মানিত মাসের অন্যতম রজব মাস। ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে রজব মাসের যোগসূত্র ও সম্পৃক্ততা রয়েছে।
প্রিয়নবী (স.) রজব মাসে বায়তুল মুকাদ্দাস থেকে আকাশপথে মেরাজে গমন করেছিলেন। এটি নবীজির জীবনে সবচেয়ে বিস্ময়কর ও অভাবনীয় ঘটনা।
প্রিয়নবী (স.) রজব মাস থেকেই রমজানের প্রস্তুতি শুরু করতেন এবং পুরো রজব মাসজুড়ে বরকতের দোয়া পড়তেন। রমজানের ইবাদতের প্রস্তুতি হিসেবে এবং নবীজির উম্মত হিসেবে আমাদেরও রজব মাসে দোয়াটি বেশি বেশি পাঠ করা সুন্নত ও বাঞ্ছনীয়।
রজব মাসের সেই প্রসিদ্ধ দোয়াটি হলো- اَللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِىْ رَجَبَ وَ شَعْبَانَ وَ بَلِّغْنَا رَمَضَانَ ‘আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফি রজাবা ওয়া শা’বানা ওয়া বাল্লিগনা রমাদান।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আপনি রজব ও শাবান মাসকে আমাদের জন্য বরকতময় করুন এবং আমাদেরকে রমজান মাস পর্যন্ত (হায়াত দিন) পৌঁছে দিন।’হজরত আনাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) রজব মাস শুরু হলে এই দোয়া পড়তেন। (নাসায়ি: ৬৫৯; মুসনাদে আহমাদ: ২৩৪৬, আল-মুজামুল আওসাত: ৩৯৩৯)
E/N