বায়য়াত দাও
আমাকে এক পেয়ালা বিষাক্ত শরবত দাও,
জায়েদার হস্তে তৈরী।
যাহা কেড়েছে ইমাম হাসানের প্রাণ।
না হয় বায়য়াত এনে দাও,
মোক্তার সাকাফির হাতের বায়য়াত।
যাহার হস্তে কতল হয়,
কাফির সীমার।
আমাকে কারবালায় নিয়ে যাও,
একটু শোকের মাতাম করবো।
মরুর পান্তে লুটিয়ে যাবো,
হোসাইনের শোকে কাতর হবো।
আমি বায়য়াত নিবো,
ইমাম আসগরের পিপাসিত হাতে।
আমাকে বায়য়াত দিওনা প্রভু,
হেজাজী ক্ষমতা লোভী আমিরের হাতে।
আমাকে এনে দেও শহীদ কিয়াম কে,
যে বীরের তরবারি চলে ঘোড়ার তালে।
আমি বুকে জড়িয়ে নিবো,
বীর কিয়াম কে।
আমাকে এনে দেও ওমর চাঁদ কে,
দ্বি-খণ্ডিত করে দিবো তার দেহকে।
আমাকে বায়য়াত দেও প্রভু,
ইমাম হোসাইনের অনুসারীর হাতে।
রচনা কালঃ ২০/০৯/২০২০ইং

শেষ সম্বল
পদ্মা তীরে বালুচর,
সেথায় ঘড়ি বসত ঘর।
তীব্র স্রোতে ভাঙ্গছে কূল,
কখন যেন গ্রাস করে।
আমার শেষ সম্বল।
সর্বনাশা খরস্রোতা,
খেয়েছে কত সম্পদ।
ঘর বাড়ি আর গোয়ালঘর,
নাহি বাকি কুঁড়েঘর।
মাঠ খেয়েছে, ঘাট খেয়েছে।
খেয়েছে কত ইমারত।
ফকির দরবেশ কত করেছে,
হয় না তবু তাহার শেষ।
ইনি পারেন, ওনি পারেন।
পারেন কত জনা!
কেউ পারেনি মিটিয়ে দিতে,
তোমার পেটের খিদা।
লঞ্চ খেয়েছে, যাত্রী খেয়েছে,
খেয়েছে কত কিনা!
সব খেয়ে ও হয়নি তোমার,
খাইলে আমার ভিটা।
রচনাকালঃ০৬-০৯-২০২০ইং