এখনও আড়াই লাখের বেশি শিক্ষার্থী স্কুলে ভর্তি হতে পারে নি। কেন্দ্রীয় লটারি অনুযায়ী, ভর্তি শেষে এ পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, স্কুলে কোনো আসন সংকট নেই। যে সকল শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারেনি তারা আসন খালি থাকা স্কুলগুলোতে সরাসরি ভর্তি হতে পারবে।
ভিকারুননিসা নূন স্কুলে আসন রয়েছে ১ হাজার ৬২১টি। কেন্দ্রীয় লটারিতে এই স্কুলে আবেদন করে ২০ হাজার ছাত্রী। অনেকেই শুধু এই স্কুলেই আবেদন করায় এখনও ভর্তির সুযোগ পায়নি।
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সদস্য আনোয়ার কবির ভূঁইয়া পুলক ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনকে বলেন, ‘আমরা অনেক চাপে আছি। অনেক শিক্ষার্থীরা শুধু ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফর্ম নিয়েছেন তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন। বোনের কোটায় আমরা মাত্র ১৫ শতাংশ আসন দিতে পেরেছি।’
১৮ নভেম্বর সরকারি-বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে লটারি হয়েছে। এতে ৩ লাখ ৫ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। অপেক্ষমান রয়েছে ৩ লাখ।
অভিভাবকরা বলছেন, অনেকটা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে তারা দিন পার করছেন। কোথায় সন্তানদের ভর্তি করবেন, অনেকেই বুঝে উঠতে পারছেন না। সব স্কুলের মান যদি একই হত, সে ক্ষেত্রে এ সমস্যা অনেকটাই কমে যেত। এক স্কুলে না হলে অন্য স্কুলে ভর্তি করতে দ্বিতীয়বার ভাবতে হত না।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত আসন রয়েছে ১০ লাখ ৬০ হাজার নয়টি। কিন্তু সবাই চায় নির্দিষ্ট কয়েকটি স্কুলে ভর্তি হতে। তাই এই সংকট। যেসব স্কুলে আসন খালি আছে শিক্ষার্থীরা সেখানে সরাসরি ভর্তি হতে পারবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, স্কুলগুলোতে যথেষ্ট পরিমাণ আসন খালি আছে। লটারিতে যেসব শিক্ষার্থীরা ভর্তির সুযোগ পায়নি, তারা আসন খালি থাকা স্কুলগুলোতে সরাসরি ভর্তি হতে পারবে।
পয়লা জানুয়ারি থেকে শুরু হবে নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস।
H/A