হাজীগঞ্জ উপজেলার ৭নং বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নে টিসিবির পণ্য যাচ্ছে মেম্বার ও হিসাব রক্ষকের বাড়িতে।
রবিবার দুপুরের মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জন্য সরকারি উদ্যোগে স্বল্প মূল্যে বিক্রিত টিসিবির পণ্য বিতরণে মিলেছে এমন অনিয়ম।
সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে , টিসিবির পণ্য বিতরণ চলাকালিন সময়ে ইউনিয়নের হিসাবরক্ষক মো. ফারুক হোসেন নির্দেশে গ্রাম পুলিশ মিজানকে দিয়ে কার্ড ছাড়াই তিন কার্ডধারীর মালামাল নিয়ে চলে যায়। সে সময় হঠাৎ গণমাধ্যমকর্মীদের নজরে বিষয়টি ধরা পড়ে।
মালামাল কোথায় নেয়া হচ্ছে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে হিসাবরক্ষক মো. ফারুক হোসেন বলেন ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার মুসলিম গাজীর ওয়ার্ডে তিন কার্ডধারী ব্যাক্তির নামে পণ্য নেয়া হচ্ছে। সেই কার্ডধারী কে বা কারা দেখতে চাইলে তাদের কার্ড দেখাতে ব্যর্থ হয় তারা। পরে ফারুক হোসেন স্বীকার করেন স্থানীয় মুসলিম মেম্বারের নির্দেশে তিনি মালামাল কার্ড ছাড়াই নিয়েছেন।
এদিকে গ্রাম পুলিশের সদস্য মিজান বলেন, স্যারের নির্দেশে টিসিবির পণ্য নেয়া হচ্ছে। স্যারের নির্দেশ আমরা অমান্য করতে পারি না।
এই ইউনিয়নে ৯৫০ টি কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিতরনের কথা রয়েছে। কিন্তু সকাল থেকে অনেক কার্ডধারী না আসার অজুহাত দিয়ে মালামাল চেয়ারম্যানের নামে সচিব ও মেম্বাররা ডিলারের যোগ-সাজেশে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে যায়। টিসিবির ডিলার “মেসার্স আবরার স্টোর” এর বিরুদ্ধে এমন অনিয়মের অভিযোগ উঠে। এ পণ্য বিতরণ কালে ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতি থাকার নিয়ম থাকলেও সেখানে কোন ট্যাগ অফিসার উপস্থিতি দেখা যায় নি।
৭নং বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন হেলাল’ এর মুঠোফোনে এই বিষয়ে জানতে চাইলে ফোন রিসিভ করেও চুপ করে ছিলেন কোনো জবাব দেননি তিনি।