POPULAR BD NEWS
Popular BD News Logo

মতলবে সেতু আছে রাস্তা নেই ! চরম দূর্ভোগে শিক্ষার্থীরা

সুমন আহমেদ | প্রকাশিত: নভেম্বর ১২, ২০২৩ | সময়: ৬:০৩ অপরাহ্ণ
মতলব উত্তরে সেতু আছে, নেই সংযোগ রাস্তা! নির্মিত সেতুর সুফল পাচ্ছে না এলাকাবাসী। উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের শিকিরচর গ্রামে এমনই একটি সেতুর সন্ধান পাওয়া গেছে। দক্ষিন-উত্তরমুখি অবস্থিত সেতুটির দুই পাশ ঝোপ-জঙ্গলে ঢাকা পড়েছে। দূর থেকে দেখে বুঝার কোন উপায় নেই যে এখানে সরকারের লাখ লাখ টাকা ব্যায়ে সেতু নির্মাণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে সেতুটির নির্মাণ কাজ করা হয়েছে । অথচ সংযোগ রাস্তা না থাকার ফলে নির্মিত সেতুটি জনগণের কোন কাজেই আসছে না। তৎকালীন সময়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঠিক তদারকির অভাবে এ সেতুর সুফল ভোগ করতে পারছে এলাকাবাসী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুটি বেকার হয়ে পড়ে আছে। নিচু রাস্তা থেকে সেতুর অবস্থান প্রায় ১০ ফুট উঁচুতে। এ অবস্থায় বৃদ্ধ, শিশু ও অসুস্থ রোগীদের পায়ে হেঁটে সেতু পারাপার হওয়া অসম্ভব। তাছাড়া বর্ষা মৌসুমে দুই পাড় তলিয়ে যায় পানিতে। তার পরেও স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিশেষ প্রয়োজনে কোন কোন পথচারী বাধ্য হয়েই ঝুঁকি নিয়ে সেতু পারাপার হচ্ছেন। সেতুর দুই পাড়ের ঝোপ-জঙ্গল ও আগাছায় ভরে গেছে।
স্থানীয়রা জানায়, সেতুটি নির্মাণের পর থেকে দুই পাশে মাটি ফেলা হয়নি। সংযোগ রাস্তা না থাকায় নির্মিত সেতু পারাপারে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তারা। বেহাল সেতু ও রাস্তার অভাবে কবরস্থানে লাশ দাফন করতে আসা মানুষকে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। তৎকালীন সময়ে মেয়র ও কাউন্সিলরের সঠিক তদারকির অভাবে নির্মিত সেতুর কোন সুফল আসছে না এখানো।
স্থানীয় কাউন্সিলর মো. হারিছ খান জানান, সংযোগ রাস্তা নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত এ সেতু মানুষের কোন কাজে আসছেনা।
ছেংগারচর পৌরসভার মেয়র লায়ন মো. আরিফ উল্লাহ সরকার জানান, গেলো পৌরসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় নির্মিত সেতুটি দেখে আমি অবাক হয়েছি। সংযোগ রাস্তা না থাকার ফলে সেতুতে উঠা নামা মানুষের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। জনগণের দুর্ভোগ লাগবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে কথা বলে এর সমাধান করবো।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার (পিআইও) মো. আওরঙ্গ জেব বলেন, সরকারের এতো টাকা ব্যায়ে সেতু নির্মাণ হয়েছে অথচ মানুষ এর সুফল পাবে না, এটা তো হবে না। খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবিষয়ে ব্রীজের ঠিকাদার আবদুল মান্নান বেপারি বলেন, সিডিউল অনুযায়ী এক বার মাটি ফেলার নিয়ম থাকলেও এলাকার স্বার্থে দুই বার মাটি ফেলেছি। কিন্তু বর্ষার সময় মেঘনা নদীর ঢেউয়ে মাটি চলে যায়।
পপুলার বিডিনিউজ | বস্তুনিষ্ঠতা প্রকাশে দুরন্ত
কার্যালয়: কেনাকাটা মার্কেট, ৪র্থ তলা, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
নিউজ ও বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৬-৪৬৯৫০৫ | ইমেইল: newspopular2020@gmail.com

© 2026 পপুলার বিডিনিউজ — অনুমতি ছাড়া লেখা/ছবি/ভিডিও ব্যবহার বেআইনি
প্রিন্ট করুন