ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এবং ফিলিস্তিনের মুসলিমদের মুক্তিকামী জনগণের অধিকার আন্দোলনের পক্ষে একাত্মতা প্রকাশ করে এবং মসজিদুল আকসার পবিত্রতা রক্ষার দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর বাজারে সমাবেশ, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে জোড়খালী গ্রামের মুসল্লিরা।
শুক্রবার বাদ জুম্মা নামাজের পর মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার জোড়খালী গ্রামের সকল মসজিদের মুসল্লিদের উদ্যোগে এ প্রতিবাদ সমাবেশ, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসুচি পালন করা হয়।
প্রথমে বিক্ষোভ মিছিলটি জোড়খালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ হতে শুরু হয়ে বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে মতলব উত্তর থানা হয়ে পূনরায় মতলব উত্তর মডেল মসজিদের সামনে এসে শেষ হয়। শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, জোড়খালী গ্রামের সকল মসজিদের সম্মানিত ইমামগন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ছানাউল্লাহ প্রধান, ছেংগারচর পৌর সভার ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ সবুজ মিয়া, শ্রমিকলীগ নেতা আমিন মিয়াজী, সমাজসেবক মোঃ লিটন সরকার, বাবু মিয়াজী, রবিউল মিয়াজী, মোঃ জসিম বেপারী, পৌর ছাত্রলীগ নেতা আল আমিন, রিফাত বাবু, ইয়াছিন মিয়াজী, আমির হোসেন, আরাফাত মিয়াজী, মোঃ ইমরানসহ শতাধিক মুসুল্লিা এতে অংশ গ্রহণ করেন। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে ফিলিস্তিনের মুক্তির পক্ষে ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্লোগানে স্লোগানে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুসল্লিরা।
মানববন্ধনে বিভিন্ন বক্তারা বলেন, দখলদার ইসরায়ল আমাদের প্রথম কেবলা দখল করার পাঁয়তারা করছে। ফলে মুসলিম হিসেবে আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আমরা মুসলিম হয়েও তাদের সাহায্য করতে পারছি না। এ কর্মসূচি থেকে আমরা ফিলিস্তিনিদের সহানুভূতি জানাচ্ছি। আমরা মুসলিমরা একটি দেহের মতো। তাই যখনই বিশ্বের কোথাও মুসলিমরা আঘাত প্রাপ্ত হন, তখনই আমাদের দেহেও আঘাত লাগে। ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
প্রসঙ্গত গত ৯ অক্টোবর শনিবার মুক্তিকামী ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন হামাস কর্তৃক মুসলিমদের প্রথম কাবা আল আকসা রক্ষায় “তুফান আল আকসা” মিশনের অংশ হিসেবে ইসরায়েল রকেট হামলা করে। এরই জের ধরে গাজায় ব্যাপক হত্যা ও বর্বরতা চালায় ইসরায়েলী সৈন্যরা। এতে বেসামরিক লোকজন, নারী শিশুসহ শতাধিক নিহত ও সহস্রাধিক মানুষ হতাহতের ঘটনা ঘটে।