হাজীগঞ্জে সম্পত্তিগত বিরোধের জের ধরে দোকান ভাংচুর ও মুদি মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল সোমবার সকালে উপজেলার ৪নং কালোচোঁ ইউনিয়নের বানিয়াকান্দি গ্রামের দোকান ভাংচুরের ঘটনায় ৭০হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী করেন ভুক্তভোগী পরিবারটি। ভাংচুরের ঘটনায় ভুক্তভোগী আমিন হোসেন বকাউল হাজীগঞ্জ থানায় বাদী হয়ে ৪জনসহ ৮থেকে ১০জন অজ্ঞাতদের বিবাদী করে অভিযোগ দায়ের করেন।
বিবাদীরা হলো: মরিয়ম বেগম ও তার দু’ই মেয়ে মুন্নি আক্তার, সাহিদা আক্তার, সুমন। অভিযোগের ভিত্তিতে হাজীগঞ্জ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক সুজন ও তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী আমিন হোসেন বকাউল ২০১১সালে তিন শতক সম্পত্তি করেন মরিয়ম বেগম গংদের কাছ থেকে। তখনকার সময় ১২জনের স্বাক্ষরিত স্ট্যাম্পের মাধ্যমে বায়না পত্র হয়। তারপর থেকে ক্রয়কৃত সম্পত্তি ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার দিন সকালে মরিয়মের সাথে চুক্তি অনুযায়ী একই এলাকার সুমন অজ্ঞাত কয়েকজনকে নিয়ে দোকান ভাংচুর করে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আমিন হোসেন বকাউল বলেন, দার দেনা করে কষ্টের টাকায় সম্পত্তি ক্রয় করে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বিভিন্ন সময় ক্রয়কৃত সম্পত্তি রেজিষ্টি করে দেই দিচ্ছি বলে তালবাহানা করে আসছে। এছাড়াও বিভিন্ন জনের কাছে বারবার সম্পত্তি বিক্রি করার চেষ্টা করেন। টাকার বিনিময়ে লোকজন ভাড়া করে তার দোকান ভাংচুর করে ক্ষতিসাধন করে। এদিকে অভিযুক্ত একই এলাকার সুমন জানান, মরিয়মের সাথে কাজের বিনিময়ে হাজিরা ভিত্তিক চুক্তির ভিত্তিতে দোকান ভাংচুর করে।
অন্যদিকে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে আগেভাগেই অন্যত্রে সটকে পড়েন মরিয়ম বেগম ও তার মেয়েরা। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, সুমন বিভিন্ন সময়ে মানুষের ক্ষতিসাধনের লক্ষ্যে বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছে। ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পর্যন্ত করে না।