চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনায় নদীতে জেলেরা কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পেলেও দক্ষিনাঞ্চলে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। আর সেই ইলিশ ট্রলার ও ট্রাকে চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাটে নিয়ে আসা হচ্ছে। ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় সরগরম মাছঘাট। কর্মব্যস্তা বেড়েছে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের মাঝে।
শনিবার সারাদিন চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাটে ৫০০-৬০০ মণ ইলিশ সরবরাহ হয়েছে।এসব ইলিশ ঘাটে এনে স্তূপ করে রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। তবে কিছুটা সরবরাহ বাড়লেও দাম এখনো কমেনি।
শনিবার সকালে বড়স্টেশন মাছঘাটে গিয়ে দেখা গেছে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া থেকে মাছ ধরার ৩ টি বড় ট্রলার মাছঘাটে এসেছে। একটিতে ৭৫ মণ, একটিতে ৫০ মণ ও আরেকটিতে ২৫ মণ ইলিশসহ ১৫০ মণ ইলিশ রয়েছে।
হাতিয়া থেকে এফবি মা বাবা ফিশিং বোর্ডের পরিচালক মির্জা আরিফ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না। এখন জাল ফেলে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। তার ট্রলারে ৭৫ মণ ইলিশ রয়েছে। দাম ভালো পেলে লাভবান হবে বলে জানান তিনি।
তিনি আরো জানান, দক্ষিণাঞ্চলের হাতিয়া, চরপ্যাশন, সন্দিপ, পটুয়াখালীসহ বিভিন্ন স্থানে এখন ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। এখানে দাম বেশি থাকায় অনেকে চাঁদপুর মাছঘাটে ইলিশ নিয়ে আসেন।
ইলিশ ট্রলারের মাঝি নুর আহমেদ বলেন, ইলিশের ভরা মৌসুম এখন। কিন্তু নদীতে তেমন ইলিশ নেই। যা ইলিশ সব সাগর এলাকার। তারপরও ইলিশ পেলে খুশি। আর দেড় মাস আছে ইলিশ ধরার সময়। এখন সাগর-নদীতে বেশি থাকতে হবে।
ইলিশ ব্যবসায়ী কবির হোসেন বলেন, চাঁদপুরে মাছঘাটে ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে। যদিও স্থানীয় পদ্মা-মেঘনার জেলেরা এখনো কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাচ্ছে না। যার কারণে দাম কমছে না। বর্তমানে এককেজি ওজনের ইলিশ ১৫-১৬শ টাকা, ৭০০-৮০০ গ্রামের এক হাজার থেকে ১১শ টাকা। আর দুই কেজি ওজনের ২ হাজার থেকে ২৫শ টাকা।
চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শবেবরাত জানান, মাছ বেড়েছে। ট্রলারে করে সমুদ্রের ইলিশ আসছে। তবে পদ্মা-মেঘনায় এখনও ইলিশ তেমন আসেনি।