চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সমাবেশে যাওয়ার পথে যুবলীগ কর্মী মোবারক হোসেন বাবু হত্যার বিচারের দাবি এবং পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহতের পরিবার।
সোমবার বিকেলে চাঁদপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহতের ভাই ও মামলার বাদী আমির হোসেন কালু।
লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, ১৭ জুন আওয়ামী লীগ কর্তৃক মাথাভাঙ্গা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে যোগদানের লক্ষে বাবু যখন লোকজন নিয়ে জড়ো হয়। ওই সময় মিছিল সহকারে বাবু যেতে চাইলে কাজী মিজানেরর উপস্থিতিতে তার নির্দেশে কাজী মতিন, কাজি হাবিব, রাজ্জাক প্রধান ওরফে কাইল্লা, বাবুল মেম্বার, শরীফ ঢালী, নূরু, ছোবহান, সুজন, ইব্রাহিম হত্যার উদ্দেশ্যে উপর্যুপরি গুলি করতে থাকে। পরে বাবু মাটিতে লুটিয়ে পররে অন্যান্য আসামীরা দা, ছেনা ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে।
মৃত বাবুর শরীরে আসামিরা ৬৮টি শর্টগানের গুলি চালায়। আর ভাতিজা ইমরানের শরীরে ৩২ টি গুলি লাগে। কাজি মিজান ১৭ জুন উপস্থিত থেকে তার নির্দেশে বাবুকে হত্যার মধ্য দিয়ে লাশ ফেলার ইচ্ছা পূরণ করেছেন। ১৬ জুন বাহাদুরপুরে তার সমর্থকদের মধ্যে ৫ লক্ষ টাকা বিতরণ করেছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবী করা হয়।
নিহতের ভাই ও মামলার বাদী আমির হোসেন কালু বলেন, ‘আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। যে কোন সময় আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা হবে। আমি আপনাদের মাদ্যমে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।’
এদিকে পুলিশ মামলার এজহার ভুক্ত প্রধান আসামী ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মিজানে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। চাঁদপুর আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
E/N