বাজেটে যুবকদের কর্মসংস্হানের জন্য বরাদ্দ অন্যথায় বেকারদের ভাতা দেয়ার দাবিতে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন চাঁদপুর জেলা কমিটির উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ ২৩ জুন বিকাল ৫ টায় শহরতলীর বাবুরহাটে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের চাঁদপুর জেলা কমিটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য যুবনেতা জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কমরেড জাকির হোসেন মিয়াজী, শহর যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরে আলম , যুবনেতা সাইফুল খান রাজিব। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, যুব ইউনিয়নের জেলা ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসাইন ইয়াছিন।
এতে জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কমরেড জাকির হোসেন মিয়াজী বলেন, দেশে প্রায় তিনকোটি শিক্ষিত যুবক বেকার। কর্মক্ষম এসব যুবক দেশের মানবসম্পদ। রাষ্ট্র এ বিশাল আকারের যুব সমাজকে কাজে লাগাতে পারছে না। এটা সরকারের জন্য দুর্ভাগ্য। দেশে নতুন নতুন কলকারখানা প্রতিষ্ঠা না করায় বছরে লক্ষ লক্ষ যুবক বেকারের খাতায় যোগ হচ্ছে। আজকে বেকারদের সংসার-পরিবার দুর্বিষহ অবস্হায় আছে। অনিশ্চিত জীবন-যাপন অতিবাহিত করতে হচ্ছে আজ। যুবকদের কর্মসংস্হান না থাকার কারণে তারা অসৎ পথে পা বাড়াচ্ছে। সরকারকে অবশ্যই বেকারদের পুনর্বাসন করতে হবে দেশের উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে।
প্রতিবাদ সমাবেশের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সরকার ক্ষমতায় আসার আগে নির্বাচনে ইশতেহারে বলেছিলেন, প্রত্যেক ঘরে ঘরে একজনকে সরকারি চাকরি দিবেন। সে আশা গুরেবালি হয়ে নিঃশেষের পথে। এবারের বিশাল আকারের বাজেটই তার প্রমাণ। যুব সমাজ প্রত্যেকবারই বাজেটে উপেক্ষিত থাকছে। যুব সমাজকে কাজহীন রেখে, অভূক্ত রেখে একটি দেশের উন্নয়ন কখনই হতে পারে না। অবকাঠামোগত যে সব উন্নয়ন দেখছি তা ফাঁপা।
এ সব উন্নয়ন আদতে অনুন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হয়ে যাবে। দেশকে উন্নয়নের মূলধারায় নিতে শিক্ষা ও কাজকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানা গড়ে তোলে দেশের অর্থনৈতিক চাকাকে গতিশীল করতে সরকারকে এখনই নীতি গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় যুব সমাজ বিক্ষোভে ফেটে পড়বে। যেমনিভাবে ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রাম, ৫২’র ভাষা আন্দলোন, ৬২’র শিক্ষা আন্দোলন, ৬৯’র গণ আন্দোলন ও ৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধে যুব সমাজ তার সাক্ষর রেখেছেন। তাই যুব সমাজের সাথে প্রতারণা মানেই বুমেরাং হয়ে যাওয়া। এর খেসারত হয় অনেক ভয়াবহ।
E/N