মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আর গোলাগুলিতে ১ জন নিহত এবং কমপক্ষে ৭জন আহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমান কে আটক করেছে চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
১৭ জুন রোববার সকাল সাড়ে ১১ টায় মোহনপুর কাজী বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিলন মাহমুদ বিপিএম ( বার)।
ঘটনার বিবরণীতে জানা গেছে, শনিবার বিকাল সাড়ে ৩ টায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পরে গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে যুবলীগ কর্মী মোবারক হোসেন বাবুকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এছাড়া গুলিবিদ্ধ জহির (২০) ও ইমন (১৮) নামের আরো ২জনকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে। আহত জহির (৩২) ও বিলকিছ (৩৫) মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন।
নিহতের ভাই আমির হোসেন কালু বলেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মিজানের কর্মীরা মায়া চৌধুরীর সমাবেশে আসার পথে বাঁধা প্রদান করে ও প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে আমার ভাইকে হত্যা করেছে।
মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মহিউদ্দিন জানান, নিহত মোবারক হোসেন বাবুর ভাই আমির হোসেন কালু বাদী হয়ে মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মিজানকে প্রধান আসামী করে ৩১ জনের নাম প্রকাশ করে মতলব উত্তর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছে। আর ওই মামলায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ হত্যা মামলার প্রধান আসামী কাজী মিজানকে আটক করে চাঁদপুর নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় মোট সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।