আরব সাগরে চলতি বছর তৈরি হওয়া প্রথম ঘূর্ণিঝড় দ্রুত ঘণীভূত হয়ে এখন প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে।
দক্ষিণ পূর্ব ও তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য আরব সাগরে গভীর নিম্নচাপটি মঙ্গলবার (৬ মে) সন্ধ্যায় প্রায় ৪ কিলোমিটার বেগে কিছুটা উত্তর দিকে সরে গিয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’-এ পরিণত হয়। ভারতের আবহাওয়া দপ্তর থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এবারের ঘূর্ণিঝড়টির নাম বাংলাদেশের দেওয়া।
ঘূর্ণিঝড়টির সবশেষ অবস্থান সম্পর্কে ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের দেওয়া বুলেটিনে বলা হয়েছে, গোয়া থেকে প্রায় ৯২০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, মুম্বাই থেকে ১ হাজার ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, পোরবন্দর থেকে ১ হাজার ১৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, পাকিস্তানের করাচি থেকে ১ হাজার ৪৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে কেন্দ্রীভূত ছিল।
তবে কোনো উপকূলীয় এলাকায় আঘাতের শঙ্কা নিয়ে কিছু জানায়নি ভারতের আবহাওয়া দপ্তর। তারা বলছে, এ ঘূর্ণিঝড় কেরালার বর্ষা মৌসুমকে নিয়ে আসছে।
সাম্প্রতিক সময়ে এ অঞ্চলে সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়ে বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড়গুলো দ্রুত তীব্রতর হয়ে যাচ্ছে এবং দীর্ঘসময় তাদের তীব্রতা ধরে রাখছে।
এর আগে চলতি বছরেই বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড় মোখা তীব্রভাবে মিয়ানমারের ঊপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানে। সে সময় বাংলাদেশে এর কিছুটা প্রভাব পড়লেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
সূত্র: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
E/N