চাঁদপুরের কচুয়ায় সাড়ে চার লাখ জনগণের জন্য প্রতিষ্ঠিত ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি ২০০৫ সালে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ২৬ জন ডাক্তার ও ২৮ জন নার্স রয়েছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে প্রতিদিন রোগীদের সেবা প্রদান ছাড়াও প্রতি মাসে ভর্তি রোগীর সংখ্যা গড়ে ৫শ।স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত সিজার,মাইনর অপারেশন করা হয়।জুনিয়র কনসালটেন্ট, গাইনী,অ্যানেস্থেসিওলজিষ্ট,কার্ডিওলজি, ইএনটি,চর্ম ও যৌন বিশেষজ্ঞ রয়েছেন।
ডাক্তার ও সেবিকাদের জন্য নির্মিত আবাসিক ৩টি ভবন অনেক পুরানো। ভবনগুলোর ছাদ ও দেয়াল খসে পড়ায় ভবনের ভিতরে বৃষ্টির পানি অনায়সে প্রবেশ করে।ফলে ডাক্তার ও সেবিকাগণ ভবনগুলোতে বসবাস করতে পারছে না। ভবনগুলো প্রায় চার বছর পূর্বে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
ভবনের অজুহাতে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ জনগন। সেবিকাগণ অধিকাংশ বাসা ভাড়া নিয়ে থাকছেন। যার ফলে সরকার ও বিরাট অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এছাড়া চারটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মধ্যে রঘুনাথপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি আট মাস পূর্বে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাজন কুমার দাস জানান,ডাক্তার ও সেবিকাগণের আবাসিক সংকটের বিষয়টি বার বার উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার পরেও সমাধান হচ্ছে না।সেবাগ্রহীতারা জানান, আবাসিক সংকটের অজুহাত দেখিয়ে বেশিরভাগ ডাক্তার নিয়মিত কর্মস্থলে থাকে না। ডাক্তার ও সেবিকাদের আবাসিক ভবন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নির্মাণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয় জনগণ।
E/N