গরমে যখন পুড়ছে চারপাশ, তখন হঠাৎই উপকূলে জ্যৈষ্ঠে ঝড়, কুয়াশা, রাতে শীত এবং দুপুরে গরমের দেখা মিলল। আজ শুক্রবার সকালে মাঝারি কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে উপকূলীয় জনপদ বরগুনার বেতাগী। সকালে কুয়াশায় সড়কে বাস, মিনিবাস, ট্রাক, মাহিন্দ্রা, নসিমন, ইজিবাইকসহ সব যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ের পর রাতে শীত পড়েছে, সকালে দেখা মিলল মাঝারি ধরণের কুয়াশার। মনে হচ্ছে হঠাৎ করে কার্তিক মাস চলে এসেছে। জ্যৈষ্ঠের প্রথমে এ কুয়াশা ও শীত মানুষকে অবাক করেছে। কুয়াশা দেখে মনে হচ্ছে শীতের আগাম জানান দিচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, এটি এক ধরনের দুর্যোগ বলা যায়। এ ধরনের তারতম্য মানুষের শরীরের জন্য মোটেই উপযোগী নয়। বেলা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা হারিয়ে যায়। শুরু হতে থাকে গ্রীষ্মের তাপ প্রবাহ।
বেতাগী পৌর শহরেরর বৃদ্ধ বৃয়সীরা বলেন, তিনি বৈশাখ- জ্যৈষ্ঠ মাসে ঝড়-বৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, খরা দেখেছেন। কিন্তু এমন কুয়াশা, শীত ও গরম অবস্থা কখনও দেখেনি।
বরিশাল আবহাওয়া অফিস থেকে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের তাপমাত্রা ছিল ২৬-২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রাতে ও সকালের তাপমাত্রা ছিল ১৮ -২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে যায়। ফলে উপকূলের জনপদে আবার ফিরে আসে সেই প্রচণ্ড তাপ। এই ভাপসা গরমে অনেকেই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে রোগীসহ শিশু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ফাহমিদা লস্কর বলেন, শীত ও গরমের শিশুদের খুবই যত্নে রাখতে হবে। এ ছাড়া শারীরিক অসুবিধা মনে হলেই দ্রুত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
সূত্র: কালের কণ্ঠ
E/N