হাজীগঞ্জ উপজেলায় জয় দাস (১৯) নামে এক যুবক কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছে।
সে উপজেলার ৯নং উত্তর গন্ধব্যপুর ইউনিয়নের হরিপুর ভোলার মায়ের বাড়ীর হরিদাসের ছেলে।
রবিবার সন্ধ্যায় বাড়ির নিজ ঘরে কীটনাশক পান করলে স্থানীয়রা তাকে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে তার অবস্থার অবনতি দেখে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে প্রেরন করলে পথেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়, জয় দাস সেলুনে কাজ করতো। রবিবার সন্ধ্যায় সে বসতঘরে কীটনাশক (বিষ) জাতীয় দ্রব্য পান করে ছটপট করতে থাকে। সে সময় পরিবারের লোকজন বিষয়টি বুঝতে পারে। বাড়ির লোকজনের সহায়তায় তাকে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ভিকটিমকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। আত্মীয়-স্বজনরা কুমিল্লা মেডিকেলে এম্বুলেন্স যোগে যাওয়ার পথে কুমিল্লা লালমাই পৌঁছালে সে মৃত্যুবরণ করে। আত্মীয়-স্বজন ভিকটিমের লাশ বাড়িতে ফেরত নিয়ে আসেন। রাতেই সনাতন ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী পারিবারিক শ্মশানে আগুনে পুড়িয়ে লাশের শেষ কীর্তি সম্পন্ন করা হয়।
খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
হাজীগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক নুরুল আলম জানান, জয় দাস শাহরাস্তি থানাধীন প্রবাসী ব্যক্তির স্ত্রীর সহিত পরকীয়া প্রেমে লিপ্ত ছিল। পরিবারের লোকজন পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক জানতে পেরে তাকে সংশোধনের চেষ্টা করে, তাই সে অভিমানে কীটনাশক (বিষ) পান করে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আক্তার হোসেন জানান, আত্মহত্যার খবর সকালে পেয়েছি। তারা আমাদের না জানিয়ে লাশ পুড়িয়েছে।
হাজীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) নজরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তদন্ত সহকরে দেখা হবে।