দিনের ভোট রাতে নিলে দেশের জনগণ মেনে নিবে না বলে মন্তব্য করেছেন চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।
বৃহস্পতিবার বিকালে চাঁদপুর হাসান আলী মাঠে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের আয়োজনে শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, সিটি নির্বাচনও আমরা দেখবো, আপনারা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। যদি দিনের ভোট রাতে নেয়ার চিন্তা থাকে তাহলে আমরা বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করবো। এসময় জাতীয় সরকারের অধীনে যদি নির্বাচন না দেন, তাহলে ইসলমী আন্দোলন নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে বহাল রয়েছে।
চরমোনাই পীর বলেন, ৫২ বছর চলছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। শ্রমিকদের ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়ে ক্ষমতার যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করেছে। ধোকা দিয়ে বোকা বানিয়ে আমাদের সম্পদ আত্মসাৎ করছে। এভাবে দেশ চলতে পারে না, পরিবর্তন দরকার আছে। সুন্দর সুন্দর বক্তব্য দিয়ে যারা ধোকা দিচ্ছে, তাদের সম্পর্কে বাংলাদেশের জনগণ এখন বুঝেগেছে।
তিনি আরো বলেন, মানুষের ভোটের, ভাতের ও শ্রমের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলে জনগণকে জিম্মি করে ভোটের অধিকার, নাগরিক ও মৌলিক অধিকার হরন করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার শ্লোগানধারীরাই প্রকৃত শোষক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এসব চিহ্নিত গণতন্ত্রের শ্লোগানধারী ভোট লুটকারীদের প্রতিহত করতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কাজ করছে। একটি সুখী, সম্মৃদ্ধ, উন্নত রাষ্ট্র গঠনে ক্ষমতাসীন সকল সরকারই চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।
রেজাউল করীম বলেন, যারা দুর্নীতি, লুটপাট আর বিদেশে অর্থ পাচার করে দেশের জনগণকে ঠকিয়ে আসছে। তাদের শোষণ, বঞ্চনার শিকার হয়ে শ্রমজীবী ও পেশাজীবী খেটে খাওয়া সাধারণ জনগণ আজ দিশেহারা। লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের ফলে ঠিকমতো দু’বেলা ভাতের জন্য, সুশিক্ষার জন্য, নাগরিক ও মৌলিক অধিকারের জন্য হাহাকার করছে।
ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা সভাপতি মোঃ আবুল বাশার তালুকদার এর সভাপতিত্বে এইচ, এম নিজাম ও আবু নাঈম তানভীরের যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মকবুল হোসাইন, শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশের জয়েন্ট সেক্রেটারী মুফতি মোস্তফা কামাল, ইসলামী আন্দোলন ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, শ্রমিক আন্দোলন কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ মহিউদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা সভাপতি শেখ মোঃ জয়নাল আবদিন ও সেক্রেটারী কে এম ইয়াসিন রাশেদসানী প্রমূখ।
E/N