ফরিদগঞ্জ থানা এবং পত্রিকার তথ্য ছাড়াও সমাজে অনেক ধর্ষণের ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে চলছে। লোকচক্ষুর আড়ালে ঘটছে ধর্ষণ, মানসম্মানের ভয়ে অনেক নারী গোপন রাখছেন। অবুঝ শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধারাও রক্ষা পাচ্ছেন না ধর্ষণ থেকে। প্রতিবন্ধীরাও ধর্ষকের হাত থেকে রক্ষা পায়নি। নিকটাত্মীয়ের দ্বারা ধর্ষণের ঘটনাই বেশিরভাগ ধামাচাপা দেয়া হয়ে থাকে। ধর্ষণ ছাড়াও নারী এবং শিশু বিভিন্ন ধরনের যৌন ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
ফরিদগঞ্জ উপজেলায় অস্বাভাবীক ভাবে বেড়ে গেছে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনা। ফরিদগঞ্জ থানার তথ্য মতে, ১ বছরে ৪২ জন নারী ধর্ষণ এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
ফরিদগঞ্জ থানার তথ্য মতে, গত বছর শুধুমাত্র ফেব্রুয়ারি মাস ছাড়া বাকী ১১ মাসেই নারী ধর্ষণ এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারী মাসে ধর্ষণ হয়েছে ২ জন, নির্যাতনের শিকার হয়েছে ২ জন। মার্চ মাসে ধর্ষণ ৩, নির্যাতন ১, এপ্রিল মাসে ধর্ষণ ৪, নির্যাতন ১, মে মাসে ধর্ষণ ২, নির্যাতন ১, জুন মাসে ধর্ষণ ৩, নির্যাতন ২, জুলাই মাসে ধর্ষণ ১, নির্যাতন ৩, আগস্ট মাসে ধর্ষণ ২, সেপ্টম্বর মাসে ধর্ষণ ১, নির্যাতন ৪, অক্টোবর মাসে ধর্ষণ ১, নির্যাতন ২,নভেম্বর মাসে ধর্ষণ ১, ডিসেম্বর মাসে ধর্ষণ ১, নির্যাতন ২।
বিশিষ্ট নারী উদ্যোক্তা ও সংগঠক রাবেয়া আক্তার বলেন, সবার আগে সমাজ পরিবর্তনে কাজ করতে হবে। পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের চিন্তাধারায়ও পরিবর্তন আনতে হবে।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল মান্নান সাংবাদিকদের বলেন, ‘ধর্ষণ একটি সামাজিক ব্যাধী। ধর্ষণ প্রতিরোধে কিছু কৃষ্টি পরিবর্তণ করতে হবে। সমাজ সংস্কৃতির কিছু কিছু জায়গায় পরিবর্তনে কাজ করতে হবে। আর সবচেয়ে সফল মাধ্যম হলো সাংস্কৃতিক জগত। শুধুমাত্র আইন করেই সব সমস্যার সমাধান করা যায় না। এর জন্য প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ এবং কাজ। এ ক্ষেত্রে নারীদেরকেই সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে।
E/N