চাঁদপুর-কুমিল্লার মধ্যে চলাচলকারী বোগদাদ পরিবহনের বাস চালক মো. শুক্কুর খান জানান, আমাদের দাবী হচ্ছে আমরা যেভাবে সরকারের আইন মেনে গাড়ী চালাই, তেমনি যারা সড়কে অবৈধ ভাবে গাড়ি চালয় তারা গাড়ীর রেজিষ্ট্রেশন করে সড়কে গাড়ী পরিচালনা করুক। তাহলে আর আমাদের কর্মবিরতির প্রয়োজন হবে না।
আরেক গাড়ী চালক মনির হোসেন জানান, আমরা অবৈধ যানবাহনের কারণে সড়কে ঠিকমত গাড়ী চালাতে পারি না। অবৈধ সিএনজি চালিত অটোরিকশাগুলো আমাদের গাড়ীর সাথে লেগে তারা জরিমানা আদায় করে। এছাড়াও রুট পারমিট ছাড়া আল-আরাফা,তিশাসহ অন্যান্য গাড়ী এই রুটে চলাচল করে।
তিনি আরো বলেন, সরকার আইন করেছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিবহন চলাচল করার জন্য। কিন্তু সিএনজি চালিত অটোরিকশা কোন ধরনের স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ৫জন ৬জন নিয়ে চলাচল করছে। আর আমরা বোগদাদ পরিবহনে ৪৬জন যাত্রী নেয়ার ক্যাপাসিটি থাকলেও ২৩জন যাত্রী নিয়ে চলাচল করছি। যার কারণে আমাদের জালানি খরচ উঠে না। আমাদের খেয়ে না খেয়ে থাকতে হয়। আমরা চাই সরকারের পক্ষ থেকে সকল পরিবহনকে স্বাস্থ্য বিধির আওতায় আনুক এবং অবৈধ পরিবহন বন্ধ করুক।
এদিকে পরিবহন বন্ধ করে দেয়ার পরে শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে উপস্থিত হন চাঁদপুর মডেল থানার ওসি মো. নাসিম উদ্দিনসহ পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ। ওসি শ্রমিক নেতাদের সাথে আলাপ করেন এবং পুলিশ সুপার এর সাথে আলোচনা করে অবৈধ যানবাহন বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করার আশ্বাস দিলে পুনরায় দুপুর ১২টার পর থেকে গাড়ী চলাচল শুরু হয়।