বলাখাল বালিকা বিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীতে সবচেয়ে পুরোনো শিক্ষার্থী মেহেরুন্নেছা। দীর্ঘ বছরে অনেক পরিবর্তন হয়েছে পাঠশালাটি। মিলন মেলার খবর পেয়ে ঢাকা থেকে ছুটে যান চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার বলাখাল চন্দ্রবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে।
মেহেরুন্নেছা বলেন, ১৯৭৬ সালে এসএসসি পরীক্ষার পর আসার ফেরা হয়নি বিদ্যালয় আঙ্গিনায়। এবার এসে তার সময়ের দুইজন প্রবীণ শিক্ষককে দেখে বিস্মিত। বসলেন তাদের সাথে অতিথিদের সারিতে।
শনিবার সকালে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বলাখাল চন্দ্রবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব করা হয়।
দিনভর বর্ণীল আয়োজনে বিদ্যালয় আঙ্গিনায় নবীণ-প্রবীণের মিলন মেলায় কেক কাটা, বেলুন উড়িয়ে, র্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই মেলবন্ধন হয়।
গৌরব ও সাফল্যের ৫০ বছর অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক মুরাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা রাখেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান মানিক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, নতুন পুরোনোদের মিলন মেলা। নতুনরা পুরোনোদের কর্ম দেখে উৎসাহ পায় এই মেলবন্ধনে।
বালিকা বিদ্যালয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উন্নত বাংলাদেশ গড়তে নারীর ক্ষমতায়ন বাড়াতে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী। এই বিদ্যালয় নারী জাগরণের অংশীদার। বর্তমানে সংসারের পাশাপাশি সব ক্ষেত্রে নারীদের অবদান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা রাখেন, এলাকার কৃতি সন্তান বন ও পরিবেশ অতিরিক্ত সবিচ ড. বিল্লাল হোসেন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত মাহমুদুল হক, অফিসার ইনচার্জ জোবায়ের সৈয়দ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, উদযাপন কমিটির আহবায়ক সমীর লাল দত্ত, অভিভাবক সদস্য বাবু রাধা কান্ত দাস। প্রধান বক্তা ছিলেন প্রধান শিক্ষক মো. দেলওয়ার হোসেন।
দিনভর বর্ণিল আয়োজনের উপস্থাপনায় ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রঞ্জিতা পাল ফ্লোরা, সানজিদা ইসলাম ইকরা, আল শহরাহ শাহী ও মাদিহা মাহবুব।
এই মিলন মেলায় প্রায় তিন হাজার পুরোনো শিক্ষার্থী অংশ নেয়।