হাজীগঞ্জ পৌরসভার ধেররা মৎস্য আড়ৎ ইজারা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট (আবেদন) করেছেন দোকান মালিকদের পক্ষে সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি মো. আব্দুল কাদের ভূঁইয়ার মাধ্যমে হাইকোর্টে এ রিট (নং-২৬৮০/২০২৩) আবেদন করেন।
হাইকোর্ট রিট আবেদনটি গ্রহণ করে আগামী ৩০ দিনের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশনা দেন বিচারপতি জাফর আহমেদ ও মো. বশির উল্যাহ।
রিটে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, জেলা প্রশাসক চাঁদপুর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাজীগঞ্জ, মেয়র, হাজীগঞ্জ পৌরসভাকে বিবাদী করা হয়েছে।
এর আগে ধেররা মৎস্য আড়ৎদারদের ইজারা বাতিলের দাবি জানিয়ে পৌর মেয়র আ.স.ম মাহবুব-উল আলম লিপনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন দোকান মালিক ও মাছের আড়ৎদাররা।
হাইকোর্টে রিটকারী সাখাওয়াত হোসেন জানান, ধেররায় নিজস্ব ভূমিতে দোকান-ঘর নির্মাণ করে পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে কেউ নিজে, কেউ আবার দোকানঘর ভাড়া নিয়ে মৎস্য আড়তের ব্যবসা করছেন।
এই দোকান-ঘরের খাজনা বাবদ পৌরসভার টেক্স দিয়ে থাকেন ভূমি মালিক পক্ষ। এখানে দিনে মাত্র একঘন্টা ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা হয়ে থাকে। এখানে সরকারি খাস কিংবা পৌরসভার নিজস্ব ভূমি বা বাজার নেই। অথচ পৌরসভা এই মৎস্য আড়ৎ ইজারা দিয়ে থাকে। বাজার দেয়ার কোন সুযোগ নাই।
পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্বের ন্যায় ধেররা মৎস্য আড়ৎসহ পৌরসভার সকল হাট-বাজার ও স্ট্যান্ড এবং ইজারাযোগ্য অন্যান্য সবকিছু সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) দরদাতাদের উপস্থিতিতে ইজারা কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ধেররা মৎস্য আড়ৎ তৃতীয়বারের মতো ইজারা দেয়। এর আগে গত দুইবারের ডাককৃত ইজারায় সর্বোচ্চ দরদাতা হিসাবে ধেররা মৎস্য আড়ৎদাররা ইজারা নেয়।
এ বিষয়ে পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আ.স.ম মাহবুব-উল আলম লিপন জানান, মৎস্য আড়ৎ ইজারা দেয়া হয়েছে। মহামান্য হাইকোর্টে রিট বা রিটের আদেশ সংক্রান্ত কোন তথ্য বা কাগজপত্র এখনও পাইনি। পেলে পরবর্তীতে রিটের আদেশ অনুযায়ী পৌরসভা থেকে জবাব দেয়াসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।