স্কুল শিক্ষার্থীর সাথে প্রেম। পরিবার জানার পর সম্মতি। সব শর্তে অনড় রসিক প্রেমিক। দুই পরিবার বিয়ের জন্য পাকাপোক্ত সিদ্ধান্ত নেয়। এগেজমেন্টও হয়ে যায়। তারপর প্রেমিক কর্মের জন্য পাড়ি দেন সৌদিআরব। দেশি প্রেম এবার জমলো বিদেশেও। নিয়মিত তাদের কথোপকথন থাকে অব্যহত। বিদেশী টাকায় প্রেমিকার বাবার কর্মের জন্য একটি অটোরিকশা কিনে দেন বলে দাবী প্রেমিকের। এছাড়াও প্রেমিকার পড়াশোনার খরচ, মোবাইল সবই কিনে দেয় প্রেমিক। হঠাৎ সব কিছুর মাঝে গুড়েঁবালির মতো ঘটনা। দুই পরিবারের যোগাযোগ বন্ধ। গড়ালো হাজীগঞ্জ থানা পর্যন্ত।
প্রেমিক ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষীপুর মোল্লা বাডীর আনোয়ার হোসেনের ছেলে সৌদি প্রবাসী হাসান। আর প্রেমিকার বাড়ী হাজীগঞ্জ পৌরসভার রান্ধুনীমুড়া এলাকায়। ওই গ্রামের কাউসার তার মেয়েকে বিয়ে দিতে বিশ লাখ টাকা কাবিন চেয়ে সর্ম্পক করে নেয় প্রবাসী হাসানের সাথে।
প্রবাসী হাসানের দাবী প্রশাসনিক ও সামাজিকভাবে বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে সমাধান করা হোক। তার দেয়া বিভিন্ন সরঞ্জাম ও প্রতি মাসে পাঠানো ৫/৬ হাজার টাকা ফেরত চান।
সে আরো জানায়, মেয়েকে বিয়ে না দেয়ার জন্য নতুন করে পোস্টারের সাজানো অযুহাত তোলেন। এমন ঘটনার সাথে জড়িত নন হাসান।
এদিকে সরজমিনে গিয়ে জানা গেলো প্রেমিকার বাবা কাউছার হোসেন এখন বেলচোঁ বাজার এলাকায় বাসা ভাড়া থাকেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, হাসানের কাছে মেয়ে বিয়ে দিবো, এটা শপথ করেও বলেছি। বিদেশে যাওয়ার সময় হাসানকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছি। তাহলে কেন হাসান তার মেয়ের বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচারে করছে।
এদিকে হাজীগঞ্জ থানায় হাসানের মা পারভীন বেগম বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ওই অভিযোগে তাদের প্রেম ও লেনদেনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
জানতে চাইলে দায়িত্বরত হাজীগঞ্জ থানা সহকারী উপ-পরিদর্শক জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি মিমাংসা করা হয়েছে।
এদিকে মেয়ের বাবা কাউসার জানান ছেলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের একটি অভিযোগ করেছেন।