চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে প্যাকেটজাত পঁচা মাংস উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
সোমবার সকালে এই অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা সেনিটেশন ইন্সপেক্টর সামসুল আলম রমিজ।
হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড টোরাগড় বড়কুল ডাকাতিয়া সেতুর উত্তর পাশে অটোস্ট্যান্ডে পঁচা মাংস বিক্রি করে আসছে মামুন নামের এক ব্যাক্তি।
মামুন এক সময় হাজীগঞ্জে গাউছিয়া ও প্রিন্স হোটেল সহ বিভিন্ন হোটেলে কাজ করতো। এক বছর যাবত কুমিল্লা থেকে প্যাকেটজাত পঁচা মাংস সংগ্রহ করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করে বাজারে বিক্রি করে আসছে।
অভিযানে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা এসব পঁচা মাংস, কলিজা, ভূড়ি, হাড়, ফুসফুস খোলা এবং প্যাকেটিং অবস্থায় পাওয়া যায়।
এসব মাংস, হাড় এবং ভূড়ি দিয়ে হাজীগঞ্জ এবং শাহরাস্তির হোটেল গুলোতে তৈরি হচ্ছে মজাদার কালাভুনা, বিরিয়ানি, নেহারি, হালিম।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাজিগঞ্জ পৌরসভার টোরাগর খেয়াঘাটে ভারত অবৈধ ভাবে আসা দুইটি প্রতিষ্ঠানের প্যাকেটজাত মাংস ফ্রিজ ভর্তি অবস্থায় রয়েছে। মাংস আমদানি বন্ধ থাকলেও অবৈধ ভাবে ভারত থেকে এইসব মাংস আমদানি করে মামুন প্যাকেটিং এর তারিখ ও মেয়াদ ঘসে উঠিয়ে নেয় এবং হাজিগঞ্জ এর নামি-দামি হোটেলে বিক্রি করে।
মাংস বিক্রয়ে পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স দেখতে চাইলে একবছর আগের ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া আর কোন কাগজ দেখাতে পারেনি।
অভিযানে আটককৃত পঁচা মাংস উপজেলা সেনিটেশন ইন্সপেক্টর সামসুল আলম রমিজের উপস্থিতিতে বিনস্ট করা হয়।