শাহরাস্তি উপজেলায় গৃহবধূকে ইভটিজিং করার প্রতিবাদ করায় মামা-ভাগিনাকে এসিড নিক্ষেপ করে গুরুতর আহত করা হয়েছে।
আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করা হয়।
সোমবার বিকালে শাহরাস্তি পৌরসভার সোনাপুর মোল্লা বাড়ীতে এসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এসিড নিক্ষেপকারী রুবেল ঘটনার পর পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন শাহরাস্তি থানার ওসি তদন্ত কামরুজ্জামান।
এ ঘটনায় রাশেদা আক্তারের বাবা হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে রুবেল ও তাঁর স্ত্রী পারভীনকে বিবাদী করে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, রাশেদা আক্তারের মামাতো বোন জামাই রুবেল বিভিন্ন সময়ে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছে। বিষয়টি জানাজানি হলে রাশেদার ভাই মেহেদী হাসান সজীব ও তার ভাগিনা এইচএসসি পরীক্ষার্থী সোহেল ঘটনার বিষয়ে রুবেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে এসিড নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায় রুবেল। এসিড নিক্ষেপ কারী রুবেল উপজেলার হোসেনপুর খাসের বাড়ীর বাচ্চু মিয়ার ছেলে।
রাশেদ আক্তার বলেন, রুবেলের কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন সময়ে হুমকি ধামকি ও তার মেয়ের ক্ষতি করার কথা বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
আহত সোহেলের মা শিল্পী আক্তার বলেন, এসিড নিক্ষেপের কারণে তার ভাই ও ছেলে সোহেলের শরীর ঝলসে গেছে। এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্য রুবেলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান তিনি।
এসিড নিক্ষেপকারী রুবেলকে না পেলেও তার স্ত্রী পারভীন আক্তার বলেন কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে এসিডের বোতল তাদের গায়ে ছুটে পড়ে।
শাহরাস্তি থানা তদন্ত ওসি কামরুজ্জামান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কাজ চলছে।