স্পর্শের ভালো-মন্দ আছে। কম বয়সে এটা বুঝতে পারা জরুরি। অভিভাবকদের এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। স্পর্শের ভালো-মন্দ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহজাবিন হক।
বাবার এক বন্ধু বাসায় এলেই ভয়ে কুঁচকে যায় রুবা। প্রথম দিন বাসায় এসে ছয় বছর বয়সী রুবার গাল টিপে, পিঠে হাত বুলিয়ে আদর করে সে। বিষয়টি মোটেই ভালো লাগেনি রুবার। এরপর আরো কয়েকবার রুবাকে কাছে ডেকে গায়ে হাত দিয়ে আদর করেছে।
এর পর থেকে তাকে বাসায় আসতে দেখলে ঘর থেকে আর বের হতে চায় না রুবা। সংকোচ ও ভয়ে নিজের মধ্যে কুঁকড়ে থাকে। মা কয়েকবার জিজ্ঞেস করলেও ভয়ে কিছুই বলতে পারেনি। শুধু বলেছে, বাবার বন্ধুর সামনে যেতে তার ভালো লাগে না।
বাড়িতে আসা অতিথিদের অনেকেই আগ বাড়িয়ে সন্তানদের কোলে নেন, গাল টিপে দেন, পিঠে হাত বুলিয়ে আদর করেন। এগুলো যে সব সময় ছোটদের ভালো লাগবে তা নাও হতে পারে।
অনেক সময় বাড়িতে আসা অতিথিরা এমনভাবে আদর করে যে ছোটদের খুব অস্বস্তি লাগে। কেন এই অস্বস্তি লাগে তা ঠিক বুঝতে পারে না তারা। কিন্তু সেই মানুষটাকে তার আর ভালো লাগে না। সবার ক্ষেত্রে আবার এমনটা হয় না। কাউকে দেখলে হয়তো মনটা এমনিতেই খুশিতে নেচে ওঠে।
অনেক শিশুই মা-বাবাকে তাদের অস্বস্তির কথাটা ঠিকমতো বোঝাতে পারে না। ছোটরা চায় বড়রা তাদের সঙ্গে থাকুক, আদর করুক, জড়িয়ে ধরুক, খেলুক। কিন্তু কেন কাউকে দেখলেই মন ভালো হয়ে যায় আবার আরেকজনকে দেখলে মন খারাপ হয়? এর কারণ তাঁদের স্পর্শ।
সূত্র:কলের কণ্ঠ
H/N