মায়ের সাথে ঘুমিয়ে ছিল চার মাসের শিশু শাহরিন জান্নাত। গভীর রাতে শ্বাসরোধ করে তাকে কি মেরেছিল মা? সেই প্রশ্নের উত্তর মিলবে শিশুর ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে।
শনিবার সকালে শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করে চাঁদপুরে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন। হাজীগঞ্জ থানা উপ- পরিদর্শক নাজিম উদ্দিন শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
শিশু জান্নাত হাজীগঞ্জ উপজেলার ৫নং হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাড্ডা মিয়াজি বাড়ীর প্রবাসী ফারুক হোসেনের একমাত্র কন্যা।
সরজমিনে গেলে জান্নাতের দাদী বলেন, রাতে হঠাৎ করে জান্নাতের মৃত্যুর খবর পান। তখন পুত্রবধূর পেটে গ্লাস ভাংঙ্গার আঁচড় দেখতে পান। জান্নাতের কোন অসুখ ছিল না।
মা মুনছুরা বেগম পুলিশকে জানায়, মেয়ের মৃত্যুর বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে নিজেকে জখম করেছে।
পপুলার বিডিনিউজকে মুনছুরা বেগম বলেন, হঠাৎ রাতে মেয়ের নিশ্বাস নেই দেখতে পায়। পরে সবাই এসে অপবাদ দেয়ায় নিজেই গ্লাস ভেঙে পেটে আঘাত করেন।
পুলিশ মুনছুরা বেগমকে তার বাবার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। তবে ময়নাতেদন্ত রিপোর্ট হত্যা প্রমাণিত হলে তাকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা আরো জানান, শিশুর গলায় একটি দাগ রয়েছে। মৃত্যুর কারণ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলতে পারবে।
মা মুনছুরা বেগমের বাবার বাড়ী হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড মকিমাবাদ হামিদ আলী হাজী বাড়ী। তার বাবার নাম জাহাঙ্গীর। জানা গেছে, এই মুনছুরা বেগম ও ফারুক হোসেনের এটি দ্বিতীয় সংসার। তাদের আগেও একটি করে বিয়ে হয়। দুইজনের সংসারে একজন করে সন্তান রয়েছে। পপুলার বিডিনিউজ, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর