চাঁদপুরের মতলব উত্তরের মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় এলাকাবাসীর উপর এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করেছে বালু উত্তোলনকারী সন্ত্রাসীরা। এতে করে ১১জন গুলিবিদ্ধ ও ২জন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মেঘনা নদীর নাছিরাকান্দি মৌজায় এ ঘটনা ঘটেছে।
এতে মুন্সীগঞ্জের কালিয়ারচরের মৃত রহম আলী বেপারীর ছেলে জাহান উদ্দিন (৪২), মৃত ওহাব আলী গাজীর ছেলে আমিন উদ্দিন গাজী, মৃত নূরুল ইসলাম মল্লিকের ছেলে শহিদুল হক মোল্লা (৬০), আবুল খালাসীর ছেলে আমিনুল হক (৩৩), কবির মিয়াজির ছেলে রিয়াদ মিয়াজি (১৮), জসিম উদ্দিন বেপারীর ছেলে নীরব বেপারী (১৮), নাছির হোসেনের ছেলে মামুন (১৮), রফিক ঢালীর ছেলে রবিন ঢালী (১৮), মোহনপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের ফিরোজ মিয়াজীর ছেলে জাহিদ হোসেন (২১), নূর মোহাম্মদের ছেলে আবু সাইদ (১৮), মারজান গাজীর ছেলে মুছা গাজী (২৭) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
আহতদের স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল (সদর) হাসপাতালে ও মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
জানা যায়, মুন্সিগঞ্জ জেলার চরআব্দুল্লাহপুর স্থানে সরকারিভাবে ইজারাকৃত বালু মহলের নামে মতলবের মেঘনা নদীর তীর ঘেঁষে প্রায়ই অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। বালু উত্তোলনের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে রাতের আধারে মতলব উত্তরের মেঘনা নদীর তীর ঘেঁষে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে নিচ্ছে বালুখোর চক্র। এতে করে নদীর তীরের গ্রামগুলো বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে নাদীর পাড়ের গ্রামবাসী।
ইজারায় উল্লিখিত মুন্সীগঞ্জ জেলার চরআব্দুল্লাহপুর এলাকা থেকে তারা বালু উত্তোলন না করে তারা তাদের উত্তোলন খরচ কমাতে এবং অতিরিক্ত বালু তুলতে রাতের আঁধারে কিংবা ভোরে নদীর তীরে চলে আসে বলে এলাকাবাসী জানায়।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, মতলব উত্তর উপজেলা ও মুন্সীগঞ্জের সদরের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে মেঘনা নদী। এই নদীর মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের নাছিরার চর মৌজায় নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন মতলব উত্তরের আওয়ামী লীগ নেতা কাজী মিজান, মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও এলাকার ইউপি সদস্য নাছির উদ্দীন।
H/N