প্রেমিকা ইন্টার ১ম বর্ষে। প্রেমিক এইচএসসি পরীক্ষার্থী। দুইজনেই দেশগাঁও ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী। দুই মাসের প্রেমে মজে বসেছেন বিয়ের পিঁড়িতে। গোপনে বিয়ে করে এক রাত কেটেছে একটি আবাসিক হোটেলে। সেই হোটেলে হানা দিয়ে ছেলেকে নিয়ে গেলো বাবা। তবে মেয়েকে বউ হিসেবে ঘরে তুলে নেয়ার আশ্বাস দেয় হবুও শ্বশুর।
ঘটনার নয়দিন পর স্ত্রীর বাড়ীতে নিয়মন্ত্রণ পত্র না এসে গেলো তালাকনামা। কোনমতে বিষয়টি মেনে না নিয়ে শুক্রবার সকালে স্বামীর দাবীতে হাজির কলেজ ছাত্রী ফাতেমা আক্তার। স্বামী লাপাত্তায়। এখন গ্রামপুলিশ পাহারায় স্বামীর বাড়ীতে অনশনে কলেজছাত্রী।
ঘটনাটি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ১০নং গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের দেশগাঁও জয়নাল আবেদীন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ও কাশিমপুর গ্রামের তাহের মাস্টার বাড়িতে ঘটে। সেই তাহের মাষ্টারের ছেলে রাকিব হোসেন চৌধুরী। কলেজছাত্রী ওই ইউনিয়নের হোটনী বুলুয়া বাড়ির মৃত আব্দুল ছাত্তারের মেয়ে ফাতেমা আক্তার (১৮)।
অনশনে থাকা অবস্থায় কলেজছাত্রী ফাতেমা জানান, গত ১৪ জুলাই চাঁদপুর নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আজিজ ও ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন বাচ্চু ওই তাহের মাষ্টারের বাড়ীতে হাজির। পরে তারা দুই পরিবারকে দ্রুত সঠিক বিচারের তাগিদ দিলে পানি ও কেক খাইয়ে অনশন ভাঙ্গে ফাতেমার। তবে স্বামীর স্বীকৃতি না পাওয়া পর্যন্ত গ্রাম পুলিশের পাহারায় তাহের মাষ্টারের বসতঘরে ফাতেমা অবস্থান নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
এদিকে জানতে চাইলে রাকিবের মা বলেন, ছেলেকে খুঁজে পাচ্ছিনা। ছেলের এখনো ২১ বছর হয়নি। কিভাবে বিয়েটি মেনে নিবেন? প্রশ্ন তুলেন তিনি। পপুলার বিডিনিউজ, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।