২০১২ সালের পর গত তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার দুর্ভোগে পড়েছে চাঁদপুরবাসী। চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ পাচ্ছেন চাঁদপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির দুইটি ইউনিট। ঈদুল আজহার আগেই লোডশেডিংয়ে ঈদ আনন্দ নিরানন্দ হবার উপক্রম হয়ে পড়ছে। জেলার সবকটি শহর ও গ্রামাঞ্চলে এখন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ভোগান্তিতে পড়েছে সবাই।
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩ লাখ ৩৫ হাজার গ্রাহক তাদের ইউনিটে রয়েছে। দশ বছর পর এমন লোডশেডিং। এটি জাতীয় সংকট। পিক আওয়ারে ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের স্থলে পাওয়া যাচ্ছে ৪৫/৫০ মেগাওয়াট। দিনে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের স্থলে মিলছে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান বলেন, ওই ইউনিটে ১৮ মেগাওয়াটের স্থলে ১২ ও রাতে ২২ মেগাওয়াটের স্থলে মিলছে ১৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এ কারণে বাধ্য হয়ে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন এলাকা ও পাড়া-মহল্লায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে। জেলায় ২টি সমিতির মাধ্যমে পল্লী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। দুই সমিতি মিলে প্রতিদিন ১২৫ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ মেগাওয়াট।
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ জেনারেল ম্যানেজার আতিকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ঈদ উপলক্ষে বিদ্যুতের এমন লোডশেডিং থাকবে না। তখন আরও কম লোডশেডিং হবে। বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সচেতনতার আহবান জানান তিনি।
এদিকে গ্যাস সংকটে গত ১৫ দিন ধরে চাঁদপুরে ১৫০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ রয়েছে।
পপুলার বিডিনিউজ, চাঁদপুর।