শুক্রবার হাজীগঞ্জ উপজেলার পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়ে চারটি পদে নিয়োগ পরীক্ষার সম্পন্ন হয়। পরীক্ষা শেষে ফলাফল ঘোষণার আগেই এলাকাবাসীর রোষানলে পড়েন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সংশ্লিষ্টরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ চারটি পদেই প্রশ্নপত্র আগে পছন্দের প্রার্থীকে দিয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও পরীক্ষার উত্তরপত্রে পছন্দের প্রার্থীকে বেশি নম্বর দেয়া হয়েছে।
সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ১৭ জুন শুক্রবার বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক, কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর, আয়া, পরিচন্নতা কর্মীসহ চারটি শুন্য পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। রেজাল্ট ঘোষণার আগে অনিয়মের অভিযোগের জেরে এলাকাবাসী রোষানলে পড়েন শিক্ষক ও প্রতিনিধিগণ পরে অভিযোগ স্বীকার করে। নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত করতে বাধ্য হন সংশ্লিষ্টরা।
শাহাদাত হোসেন বলেন, তার ভাই পরীক্ষা দিয়েছে। এখানে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক দুর্নীতির স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে। পরীক্ষার আগে পরীক্ষার্থীদেরকে প্রশ্নপত্র দিয়ে দিছে বলে তিনি দাবী করেন।
কাজী সোহেল বলেন, দুর্নীতি করার কারণেই পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, নিয়মতান্ত্রিকভাবেই পরীক্ষা হয়েছে। দায়িত্বশীলরা ছিল। তারা তাদের ফলাফল ঘোষণা দিয়ে গেছে। যেহেতু এলাকাবাসীর অভিযোগ রয়েছে। তাই পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত করে পরবর্তী মিটিংয়ে কি করা যায় তার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। প্রশ্ন ফাঁস সম্পর্কে তিনি বলেন এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও অযৌক্তিক।
পালিশারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি কাজী হেলাল বলেন, ফলাফল সন্তোষজনক মনে করছি না। আরো ভালো প্রার্থী দরকার। পরীক্ষার ফলাফল আপাতত স্থগিত। পপুলার বিডিনিউজ, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।