শনিবার ভোরে হঠাৎ করে হাজীগঞ্জ উপজেলায় ঝড় হাওয়া বইতে শুরু করে। ঠিক সেই মুহুর্তে হাজীগঞ্জ উপজেলার ৫নং সদর ইউনিয়নের বাড্ডা তাজুল ইসলাম পাটোয়ারী বাড়ীতে গিয়ে হাজির হয় তরুণী। তার দাবী ওই বাড়ীর মেহেদী হাসানের সাথে গেলো অক্টোবর মাসে বিয়ে হয়েছে। কিন্তু তাকে স্ত্রীর মর্যাদা না দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় স্বামী।
শনিবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত স্বামীর বাড়ীতে ঠাঁই পেতে অনশন করেন একই গ্রামের হাজী বাড়ীর তরুনী।
তরুণী পপুলার বিডিনিউজে জানান, ফেইসবুকে তাদের পরিচয়। সেই থেকে প্রেম এবং বিয়ে হয় গত বছরের অক্টোবরে। বিয়ের ঢাকায় গিয়ে কিছুদিন দু’জনের সুখের সংসার হয়। হঠাৎ দুই মাসের মধ্যে ভাটা পড়ে সেই সুখের সংসারে। বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে মেহেদী হাসান তার স্ত্রীকে হাজীগঞ্জ বাজারের রেখে লাপাত্তা হয়ে যায়।
তরুণী আরো জানায়, মুঠোফোনে স্বামীর সাথে কথা হলে বিভিন্ন ভাবে আশ্বাস দিতো পরিবারের সাথে সমঝোতা করে ঘরে তুলবে। এভাবে দিনের পর দিন মিথ্যা আশ্বাস দিতে গিয়ে খারাপ আচরণ করতো। কোন উপায়ন্তর খোঁজে না পেয়ে শনিবার সকালে স্বামীর দাবীতে পাটোয়ারী বাড়ীতে অনশনের সিদ্ধান্ত নেয় সে।
সরজমিনে গিয়ে কথা হয় মেহেদী হাসানের ভাই তানভির জানান, তার ভাই বাড়ীতে নাই। আর সে পরিবারের সবার ছোট। হাসানের এখনও বিয়ের বয়স হয়নি।
খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, একই গ্রামের হওয়ায় তার বাবার কাছে তরুণীকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। দু’ই পরিবারকে বিষয়টি সমাধান করার জন্য মঙ্গলবার বৈঠকে বসে সিদ্ধান্ত নেয়ার পরামর্শ দেন।
ইউপি চেয়ারম্যান ইউছুফ প্রধানীয়া সুমন বলেন,ওই তরুণী ভোরে পাটোয়ারীতে গিয়ে অনশন করার খবর পেয়েছি ।