স্বাস্থ্যসেবা ও রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কে নবিজি (সা.) যে যুগান্তকারী উপদেশ রেখে গেছেন তা সত্যি বিস্ময়কর। রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কে সতর্কতা, খাদ্যদ্রব্য গ্রহণে সচেতনতা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার উপকারিতা ইত্যাদি বিষয়ে তার গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানও অস্বীকার করতে পারেনি। নিচে তার কটি উদ্ধৃতি লিপিবদ্ধ করা হলো:-
মহানবি (সা.) উপদেশ দিয়েছেন, কোথাও মহামারি বা কোনো সংক্রামক ব্যাধি ছড়িয়ে পড়লে সেখান থেকে বের না হতে এবং সে স্থানে অনুপ্রবেশ না করতে। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে করোনাভাইরাস থেকে জনগণকে সুরক্ষার জন্য ‘লকডাউন’ সম্পর্কিত বিধিনিষেধ তার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় কি?
মুসলমানদের অজুর মাধ্যমে শরীরকে পাকপবিত্র করে ইবাদত বন্দেগি করতে হয়। অজুর শুরুতে প্রথমে হাত উত্তমরূপে ধৌত করতে হয়। তারপর মুখ বা অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গে পানি দিয়ে ধৌত করা হয়। হাতের মাধ্যমে যে রোগ জীবাণু ছড়াতে পারে তাই হাতকে উত্তম রূপে ধৌত করার জন্য আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের উপদেশ কী অজুর হাত ধোয়ার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ? তা ছাড়া প্রতিদিন পাঁচওয়াক্ত নামাজে যে পরিমাণে শরীর নাড়াচাড়া হয় তা স্বাস্থ্যের জন্য কল্যাণকর নয় কি?
স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অতিরিক্ত খাদ্য নয়, পরিমিত খাদ্য গ্রহণ করা উচিত। হালাল-হারাম, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি সম্পর্কে ইসলামের দিকনির্দেশনা স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অপরিহার্য নয় কি?
মুখের ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য সংক্রমণ প্রতিরোধে আধুনিক দাঁত ব্রাশ বা মাউথ ওয়াশের সঙ্গে ইসলামের প্রাকযুগ থেকে ব্যবহৃত মেসওয়াক কী অসংগতিপূর্ণ?
সূত্র: যুগান্তর
E\N