প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর বিভিন্ন প্রকাশনার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারবে এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর লেখা ১১টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শেখ হাসিনা রাজধানীর সেগুনবাগিচার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। ১১টি বইয়ের মধ্যে ‘কোটি মানুষের কণ্ঠস্বর’ বইটি শেখ হাসিনা নিজেই সম্পাদনা করেছেন। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি বইগুলো প্রকাশ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি বিশ্বাস করি-বইগুলো পড়লে শিশু-কিশোর এবং যুবক থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধরা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে যেমন জানতে পারবেন, তেমনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাসকে জানতে পারবেন। এ ধরনের আয়োজনে মানুষ সত্য সম্পর্কে জানতে পারবে এবং নিজেদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে পারবে। তিনি বলেন, দেশের প্রতি ও দেশের মানুষের প্রতি যে একটা দায়িত্ব আছে-সেটা বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে যতই জানতে পারবে ততই তারা তা উপলব্ধি করতে পারবে। কেননা, একটা মানুষ তার জীবনের সবকিছু ত্যাগ করেছিলেন বাংলাদেশের শোষিত-বঞ্চিত মানুষের জন্য। তিনি আরও বলেন, জাতির পিতাকে নিয়ে এত গান-কবিতা রচনা হয়েছে যে, আমি জানি না পৃথিবীতে এমন আর কোনো নেতা আছেন কিনা যাকে নিয়ে এত রচনা হয়েছে। রচনাগুলো লোকসাহিত্য থেকে শুরু করে বিজ্ঞানবিষয়ক সর্বক্ষেত্রে বিস্তৃত।
জাতির পিতার অবদানকে মানুষ অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, শুধু গ্রহণ করলেই হবে না। আমি চাই নতুন প্রজন্ম সেই আদর্শে আদর্শবান হয়ে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আজকের নতুন প্রজন্ম ২০৪১ সালের সৈনিক হবে এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। উন্নয়নশীল দেশ থেকে ধাপে ধাপে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত হব। আর সেটা করা খুব কঠিন কাজ নয়। ইনশাআল্লাহ আমরা তা করতে পারব।
সূত্র: যুগান্তর
E/N