ভোগ্যপণ্যের বাজারে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য থাকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চাহিদামতো পণ্যের সরবরাহ না থাকলে সংকট হয়ে ওঠে অনিবার্য। তাই দেশে যাতে ভোগ্যপণ্য, বিশেষত খাদ্যপণ্যের সংকট সৃষ্টি না হয় এবং বাজারে কোনো পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি না ঘটে, সেজন্য পণ্যের চাহিদা সম্পর্কে সঠিক তথ্য থাকা জরুরি।
চাহিদা সম্পর্কে সঠিক তথ্য থাকলে সে অনুযায়ী খাদ্যশস্য উৎপাদন করে এবং আমদানিকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে তা পর্যাপ্ত আমদানি করে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হয়। নয়তো বাজারে এর নানা বিরূপ প্রভাব পড়ে। বর্তমানে দেশে তেমনটিই লক্ষ করা যাচ্ছে।
প্রায়ই বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের ঘাটতি বা সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে দাম বাড়ছে খাদ্যপণ্যের অথবা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। কাজেই এদিকে দৃষ্টি দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।
বস্তুত দেশে একটি সুষ্ঠু খাদ্যশস্য ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে খাদ্যশস্য উৎপাদনের এবং এসব পণ্যের মাথাপ্রতি ভোগের সঠিক তথ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। এসবের প্রকৃত তথ্য না থাকলে নীতিনির্ধারকদের পক্ষে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব নয়।
প্রকৃত তথ্যের অভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত না নেওয়া গেলে খাদ্যশস্য ব্যবস্থাপনা চ্যালেঞ্জের মুখে থেকে যাবে, যা মোটেই কাম্য নয়। খাদ্যপণ্যের প্রকৃত চাহিদা জানার জন্য প্রয়োজন দেশের জনসংখ্যার প্রকৃত হিসাব। প্রতিবছর জনসংখ্যা বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে খাদ্যসহ ভোগ্যপণ্যের চাহিদা। এজন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর আদমশুমারি হওয়া উচিত।
সূত্র: যুগান্তর
E/N