POPULAR BD NEWS
Popular BD News Logo

আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে ঝুঁকিতে চার ড্রিমলাইনার

পপুলার বিডিনিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২২ | সময়: ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশ বিমানের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও অত্যাধুনিক উড়োজাহাজ ড্রিমলাইনার (বি-৭৮৭) ঘিরে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমান। যে পাইলট বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর চালাচ্ছেন, তিনি এখন থেকে অভিজ্ঞতা ছাড়াই বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারও চালাতে পারবেন। অর্থাৎ বিমানের পাইলটরা একসঙ্গে দুই ধরনের উড়োজাহাজ চালানোর ক্ষমতা পেলেন। গত বছরের মাঝামাঝি এ সিদ্ধান্ত হয়। এ ধরনের সিদ্ধান্তকে চরম ঝুঁকিপূর্ণ এবং আত্মঘাতী বলে আখ্যায়িত করছেন এভিয়েশন বিশেজ্ঞরা।

রাষ্ট্রীয় ক্যারিয়ার বিমানের সবচেয়ে মূল্যবান বহর বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর এবং অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার। অত্যাধুনিক এয়ারক্রাফট পরিচালনার ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ এই সিদ্ধান্ত নিয়ে এভিয়েশন সেক্টরে তোলপাড় চলছে। অনেকে এই সিদ্ধান্ত বাতিলের জন্য বিমানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ-একজন পাইলট কিছুদিন ৭৭৭, কিছুদিন ড্রিমলাইনার চালাতে গেলে তালগোল পাকিয়ে ফেলার আশঙ্কা আছে। দুর্যোগের সময় যা আরও ভয়াবহ হতে পারে। ভয়ংকর দুর্ঘটনার দিকে নিয়ে যেতে পারে বিমানকে।

জানা যায়, বিমানবহরের বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর ও বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের সিস্টেম সম্পূর্ণ আলাদা। দুটি এয়ারক্রাফট একই কোম্পানির হলেও কনফিগারেশন ভিন্ন। কিছু কিছু ফ্লাইট টেকনিকও আলাদা। ড্রিমলাইনার বি৭৮৭ এয়ারক্রাফট বি৭৭৭-এর তুলনায় অনেক বেশি অত্যাধুনিক ও স্পর্শকাতর। ককপিটের অনেক টেকনিকই বি৭৭৭ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ড্রিমলাইনারের। কোনো ধরনের অভিজ্ঞতা ছাড়া এ ধরনের মূল্যবান ও অত্যাধুনিক এয়ারক্রাফট পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া কোনোভাবেই সঠিক সিদ্ধান্ত নয় বলে মন্তব্য করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, বিশ্বের অনেক ব্যয়বহুল এয়ারলাইন্সও এখন পর্যন্ত ডুয়েল ফ্লাইটের কথা চিন্তা করেনি। বিশেষ করে ইউরোপ-আমেরিকার অনেক দেশও এভাবে ফ্লাইট শুরু করেনি। এশিয়ার ৩টি এয়ারলাইন্স ডুয়েল ফ্লাইট চালু করেও বেশ কয়েকটি বড় দুর্ঘটনার পর একটি এয়ারলাইন্স তাদের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে। সেখানে কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই, কারিগরি দিক বিবেচনা ছাড়াই বিমান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা বলেন, বিমানের এই সিদ্ধান্ত এয়ারক্রাফট ও যাত্রী-দুটোর জন্যই চরম ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, বিমানে বর্তমানে তেমন বিশেষজ্ঞ পাইলট নেই যারা একসঙ্গে দুই ধরনের বিমান চালনায় পারদর্শী। যে দু-একজন আছেন, তাদের বেশির ভাগেরই বয়স শেষের দিকে। এই বয়সে তাদের পক্ষে শুধু ট্রেনিং নিয়ে নতুন কোনো এয়ারক্রাফট পরিচালনা চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে।

সূত্র: জানা যায়, বিমানবহরের বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর ও বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের সিস্টেম সম্পূর্ণ আলাদা। দুটি এয়ারক্রাফট একই কোম্পানির হলেও কনফিগারেশন ভিন্ন। কিছু কিছু ফ্লাইট টেকনিকও আলাদা। ড্রিমলাইনার বি৭৮৭ এয়ারক্রাফট বি৭৭৭-এর তুলনায় অনেক বেশি অত্যাধুনিক ও স্পর্শকাতর। ককপিটের অনেক টেকনিকই বি৭৭৭ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ড্রিমলাইনারের। কোনো ধরনের অভিজ্ঞতা ছাড়া এ ধরনের মূল্যবান ও অত্যাধুনিক এয়ারক্রাফট পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া কোনোভাবেই সঠিক সিদ্ধান্ত নয় বলে মন্তব্য করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, বিশ্বের অনেক ব্যয়বহুল এয়ারলাইন্সও এখন পর্যন্ত ডুয়েল ফ্লাইটের কথা চিন্তা করেনি। বিশেষ করে ইউরোপ-আমেরিকার অনেক দেশও এভাবে ফ্লাইট শুরু করেনি। এশিয়ার ৩টি এয়ারলাইন্স ডুয়েল ফ্লাইট চালু করেও বেশ কয়েকটি বড় দুর্ঘটনার পর একটি এয়ারলাইন্স তাদের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে। সেখানে কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই, কারিগরি দিক বিবেচনা ছাড়াই বিমান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা বলেন, বিমানের এই সিদ্ধান্ত এয়ারক্রাফট ও যাত্রী-দুটোর জন্যই চরম ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, বিমানে বর্তমানে তেমন বিশেষজ্ঞ পাইলট নেই যারা একসঙ্গে দুই ধরনের বিমান চালনায় পারদর্শী। যে দু-একজন আছেন, তাদের বেশির ভাগেরই বয়স শেষের দিকে। এই বয়সে তাদের পক্ষে শুধু ট্রেনিং নিয়ে নতুন কোনো এয়ারক্রাফট পরিচালনা চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে।

সূত্র: যুগান্তর

E/N

পপুলার বিডিনিউজ | বস্তুনিষ্ঠতা প্রকাশে দুরন্ত
কার্যালয়: কেনাকাটা মার্কেট, ৪র্থ তলা, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
নিউজ ও বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৬-৪৬৯৫০৫ | ইমেইল: newspopular2020@gmail.com

© 2026 পপুলার বিডিনিউজ — অনুমতি ছাড়া লেখা/ছবি/ভিডিও ব্যবহার বেআইনি
প্রিন্ট করুন