কচুয়া উপজেলার শারমনি আক্তার (২৪) নামের পুত্রবধুর গরম পানিতে ঝলসে গেল শ্বাশুড়ী মনোয়ারা বেগমের পুরো শরীর। ঘটনাটি ঘটেছে কচুয়া উপজেলার ভূঁইয়ারা গ্রামে।
মনোয়ারা বেগমের স্বামী আনোয়ার হোসেন জানান, শুক্রবার সকালে পুত্রবধু শারমিন আক্তার দুই ছেলেকে মারধর করে। বৃহস্পতিবার নাতিদের মারধরের প্রতিবাদ করায় শুক্রবার সকালে ঘুমন্ত অবস্থায় পুরো শরীরে ফুটন্ত গুরম পানি দিয়ে ঝলসে দেয়।
ওইসময় তার ডাক চিৎকারে বাড়ির লোকজন ছুটে এসে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে তাকে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লক্সে ভর্তি করানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাথী আক্তার জানান, নাতিদেরকে মারধরের বাধা দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শারমিন আক্তার এভাবে ফুটন্ত গরম পানি দিয়ে চাচীকে ঝলসে দিবে এটা কল্পনা করা যায় না।
আনোয়ার হোসেনের ছেলে সমীর হোসেন ২০১৪ সালে একই উপজেলার নলুয়া চাঁদপুর পানপাড়া গ্রামের আলী আজার হোসেনের মেয়ে শারমিন আক্তারের বিয়ে হয়। পুত্রবধু শারমিন আক্তারের দু’পুত্র সন্তান রয়েছে। সমীর কাঠমিস্ত্রী। বিয়ের পর থেকে শ্বাশুড়ীর সাথে শারমিন আক্তারের পারিবারিক কলহ চলছিল।
আহত মনোয়ারা বেগম, শুক্রবার সকালে ঘুমে ছিলাম। ঘুমন্ত অবস্থায় পুত্রবধু শারমিন আক্তার ফুটন্ত গরম পানি গাঁয়ের ওপর ঢেলে দেয়।
অভিযুক্ত পুত্রবধু শারমিন আক্তার মা সাহেদা বেগম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাটি শুনে তাৎক্ষনিক ভূঁইয়ারা গ্রামে যাই। তবে মেয়ে যে ঘটনাটি করেছে তা ন্যাক্করজনক।
পুত্রবধু শারমিন আক্তারের শাস্তির দাবি জানান ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।
কচুয়া থানার ওসি মো. মহিউদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।