পেটে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে আসেন ফাতেমা আক্তার। বেসরকারী প্রাইভেট একটি হাসপাতালে সার্ভিস চার্জ নেয়া হয়েছে ৬০০/- টাকা। আট প্রকার ওষুধের যোগফল ১৩৫৪ টাকা হলেও রেখেছে ১২০০ টাকা। খুচরা ফার্মেসীগুলোতে ওই আট প্রকার ওষুধের দাম মাত্র ৪৬৫ টাকা!
ওষুধ ফার্মেসীতে আকাশচুম্বী দামে হয়তো অবাক হচ্ছেন। রোগীর পরিবার সচেতন হলে মাঝে মাঝে যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয়ে উঠে।
বৃহস্পতিবার এমন যাচাই-বাছাই করে শিহরিত হয়ে উঠেন হাজীগঞ্জ উপজেলার ভাটরা গ্রামের ফাতেমা আক্তার।
এবার জানা যাক হাসপাতালটির নাম। যেই হাসপাতালে রোগীর ওষুধের ন্যয্য দামের চেয়ে তিনগুণ বেশি নিয়েছে। সেটি হলো চাঁদপুর- কুমিল্লা মহাসড়কের হাজীগঞ্জ পশ্চিম বাজার মিঠানীয়া ব্রীজ সংলগ্ন মিডওয়ে মেডিকেল হাসপাতাল।
হাজীগঞ্জ বাজারের একাধিক ফার্মেসীতে যাচাই-বাছাই করে ওই আট প্রকার ওষুধের দাম নির্ণয় করা হয়।
চলুন জেনে আসি আট প্রকার ওষুধের দামের হেরফের:
১০০ টাকার ডিএনএস ১০০০এমএল রেখেছে ২৮০ টাকা। ১৫ টাকার রেলভিস ইনজেকশন ২১৪ টাকা।
৯০ টাকার ম্যাক্সফ্রো ৯০ টাকা। ১৮০ উইনার ইনজেকশন ২৮০ টাকা। ৩৫ টাকার স্যলাইন সেট ১০০ টাকা। ৫০ টাকার ক্যনোলা জিএমআই ৫০ টাকা। ৬০ রেলটকস ওয়ান ইনজেকশন
১৮০ টাকা। চার টাকা গ্লিসাব ২০ টাকা হলে রেখেছে ২০০ টাকা।
মিডওয়ে হাসপাতালে ফাতেমা আক্তারের সার্ভিস চার্জ ও ওষুধের দাম যোগফল ২০৫৪ টাকা। পরে কিছু কমিয়ে ১৮০০ টাকা রাখা হয়।
এমন ওষুধের দাম তিনগুণ বেশি নেয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরধারি অতীব প্রয়োজন।